তিনি বলেন, ‘আমরা ক্লাব দল হলেও প্রতিনিধিত্ব করছি মালয়েশিয়ার। মালয়েশিয়া গত বারের চ্যাম্পিয়ন, তাই আমরা মনে করি সেই শিরোপা ধরে রাখা আমাদের দায়িত্ব। আমরা তাই কাল বাংলাদেশকে হারিয়ে আমাদের সেমিফাইনালের পথ সুগম করতে চাই।’
প্রতিপক্ষকে ভালোভাবেই খেলার আগে পরখ করে নিয়েছেন মালয়েশিয়ার এই কোচ। বলেন, ‘আমরা বাংলাদেশকে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ৪-২ গোলে জিততে দেখেছি। নিজ মাঠে বাংলাদেশ অবশ্যই শক্ত প্রতিপক্ষ, কিন্তু তাই বলে আমরা ভীত নই। আমরা জানি জিততে হলে আমাদের বিশেষ কিছু করতে হবে। টিমওয়ার্কের মাধ্যমে সেটি করতে চাই। বাংলাদেশের বিপক্ষে ম্যাচ। তাই বলে এটি সহজ মনে করলে ভুল বলা হবে।’
তবে নিজেদের দুর্বলতার কথা বলতেও ভুল করেননি আবু সালিম। বলেন, ‘বাংলাদেশকে দেখে মনে হয়েছে তারা পরিপূর্ণ ভাবে তৈরি। সে অনুপাতে আমরা পিছিয়ে রয়েছি। আমরা মাত্র দশদিনের প্রস্তুতি নিয়ে বাংলাদেশে খেলতে এসেছি। তবে আমি কোনও অজুহাত দেখাতে পছন্দ করি না। আমি আমাদের সামর্থ্য নিয়েই লড়তে চাই।’
তিনি আরও যোগ করেন, ‘বাংলাদেশের ফরোয়ার্ড নাবিব নেওয়াজ জীবনের খেলা আমার ভালো লেগেছে। এছাড়া অধিনায়ক মামুনুল ইসলামের বল ডিস্ট্রিবিউশন আমাদের জন্য বিপদজনক, এটি বন্ধ করতে হবে আমাদের।’
১৯৯৬ সালে প্রথম বঙ্গবন্ধু গোল্ড কাপের আসরে চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল মালয়েশিয়া। সেবারও ঢাকায় এসেছিলেন ইরফান বাকতি আবু সালিম। সেই ধারাবাহিকতা অব্যাহত রাখতে চান তিনি। দলে শামিম ও রিদওয়ান খেলেছেন মালয়েশিয়ার বিভিন্ন বয়সভিত্তিক দলে। এছাড়া অধিনায়ক শুকুর আদান মালয়েশিয়া জাতীয় দলে খেলেছেন দীর্ঘদিন।
উল্লেখ্য, যশোরে নিজেদের প্রথম ম্যাচে নেপালের সঙ্গে গোলশূন্য ড্র করেছিল ফেলডা ইউনাইটেড।
/আরএম/এফআইআর/