স্ত্রীর ‘সবুজ সংকেত’ মিললেই বাংলাদেশে আসবেন লেন

২০১৯ সালের এপ্রিলে ঐতিহ্যবাহী মোহামেডানের হাল ধরেন শন লেন। সেবার অবনমন এড়ায় সাদা-কালোরা। পরের মৌসুম করোনাভাইরাসের কারণে পরিত্যক্ত হয়। আর এবার তারুণ্যনির্ভর দল নিয়ে ষষ্ঠ হয়েছে মোহামেডান। তবে আগামী মৌসুমে সমর্থকপুষ্ট দলটির ডাগ আউটে দাঁড়াবেন কিনা, এ নিয়ে কিছুটা সংশয় আছে ইংলিশ বংশোদ্ভূত অস্ট্রেলিয়ান কোচের মনে।

নতুন মৌসুমের জন্য মোহামেডানের দেওয়া প্রস্তাবে রাজি আছেন লেন। কিন্তু সবকিছুই এখন নির্ভর করছে তার স্ত্রী লিবির ওপর! স্ত্রীর ‘সবুজ সংকেত’ পেলেই আগামী মৌসুমে ঢাকায় আসবেন ৫৭ বছর বয়সী কোচ। কারণও ব্যাখ্যা করেছেন লেন। তার অনুপস্থিতিতে ৫ সন্তানসহ অন্য সবকিছু দেখভাল করে থাকেন লিবি। যার মধ্যে অস্ট্রেলিয়ার গোলকোস্টে একটি ক্যাফেও সামলান তার স্ত্রী।

লেন কোচিংয়ের কারণে দীর্ঘদিন ধরে দেশের বাইরে থাকলে তখন পরিবারের দেখভাল করা কিছুটা কঠিন হয়ে যায়। এছাড়া করোনার কারণে যখন-তখন দেশে ফেরাও কঠিন। দেশে ফিরলেই ১৪ দিনের কোয়ারেন্টিন নিশ্চিত। দেখা যায় ছুটির বেশিরভাগ সময় কোয়ারেন্টিনেই চলে যায়। তাই ইচ্ছা থাকা সত্ত্বেও পরিবারকে সেভাবে সময় দেওয়া যায় না।

মোহামেডান খেলোয়াড়দের সঙ্গে শন লেনবর্তমানে দেশে ফিরে স্থানীয় হোটেলে কোয়ারেন্টিন পর্ব কাটাচ্ছেন লেন। সেখান থেকে ফোনে বাংলা ট্রিবিউনকে বলেছেন, ‘বাংলাদেশে আমি স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করি। পছন্দের জায়গা। কিন্তু করোনার সময়ে দেখা গেছে দীর্ঘদিন ধরে এখানে থাকতে হয়েছে। লম্বা সময় দেশের বাইরে থাকায় পরিবারকে সেভাবে সময় দেওয়া যায় না। তাই আগামী মৌসুমে ঢাকায় কাজ করবো কিনা, স্ত্রীর সঙ্গে আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নিতে হবে।’

লিবি ‘অনুমতি’ দিলে নতুন করে ঢাকায় এসে মোহামেডানের দায়িত্ব নিতে আপত্তি নেই লেনের, ‘লিবি একাই আমার অনুপস্থিতিতে সংসার পরিচালনা করে থাকে। ক্যাফে দেখে থাকে। সামনের দিকে দেশের বাইরে কোচিং করালে লিবি আবারও একাই পরিবার দেখাশোনা করতে পারবে কিনা, আলোচনা করতে হবে। পরিবারের সবার সঙ্গে কথা বলেই তখন নতুন করে সিদ্ধান্ত নেবো।’