সাফ চ্যাম্পিয়নশিপে বাংলাদেশের প্রাথমিক দলে জায়গা হয়েছে নাইজেরিয়ান বংশোদ্ভূত এলিটা কিংসলের। পাশাপাশি বাংলাদেশের জার্সি গায়ে দেওয়ার স্বপ্নটাও পূরণ হয়েছে। লাল-সবুজ জার্সি পরে প্রথম দিন জামাল-বিপলুদের সঙ্গে অনুশীলন করেছেন। কিন্তু খেলার গুরুত্ব বেড়ে যাওয়ায় ঠিক এই মুহূর্তে ‘আবেগ’ স্পর্শ করছে না তাকে!
ব্রুজনের অধীনে আগে থেকেই অনুশীলন করতে অভ্যস্ত কিংসলে। ঘরোয়া লিগে বসুন্ধরা কিংসে খেলে থাকেন। এ দলটিরই কোচ ছিলেন ব্রুজন। কিন্তু ক্লাবের থেকে জাতীয় দলের অভিজ্ঞতা যে ভিন্নরকম। প্রথম অনুশীলনের পর নিজের অভিজ্ঞতা জানিয়ে কিংসলে বলেছেন, ‘ভিন্নরকম অনুভূতি। এই প্রথম জাতীয় দলের হয়ে অনুশীলন করতে নামলাম, অদ্ভুত এক অনুভূতি। বলবো না যে আমি খুব আবেগাক্রান্ত। যখন আপনি জাতীয় দলের জার্সিটা পরবেন, তখন আবেগাক্রান্ত হবেন কিন্তু এখন আমাদের খেলার দিকে মনোযোগী হতে হচ্ছে। এটা ভিন্ন একটা দল, আমরা চাই কিছুটা পরিবর্তন আনতে। এমন একটা জাতীয় দল চাই, যারা দেশকে আনন্দ এনে দেবে।’
ব্রুজনের কোচিং ধারা সম্পর্কে আগে থেকে অবগত কিংসলে। তাই কিংসলের ধারণা, নতুন কোচের অধীনে সাফল্য পাবে বাংলাদেশ, ‘অস্কারের সবকিছু সম্পর্কে আমি আগে থেকেই জানি। যদি তার এই পদ্ধতির মধ্য দিয়ে যেতে পারি, তাহলে আমরা ভিন্ন একটা দল হয়ে উঠবো। সাফে এই দলটি হয়তো মানুষকে সারপ্রাইজ উপহার দিতে পারে। এটা আমার ব্যক্তিগত মত।’
বাংলাদেশ দলের হয়ে অনুশীলন শুরু করলেও খেলার বিষয়ে এখনও ফিফার ছাড়পত্র আসেনি কিংসলের। সেই আশায় আছেন ৩১ বছর বয়সী স্ট্রাইকার, ‘আমি খেলার জন্য বিবেচিত হবো কিনা, সেটা বাফুফে দেখবে। যদি আমি খেলার অনুমতি পাই, তাহলে প্রমাণের চেষ্টা করবো কেন আমাকে এই দলে নেওয়া হয়েছে।’