সাফ অনূর্ধ্ব-১৯ নারী ফুটবলে নেপালের বিপক্ষে গোলের তালা খুলতে পারেনি বাংলাদেশ। তবে ভুটানের বিপক্ষে একের পর এক আক্রমণ গড়ে হাফ ডজন গোল পেয়েছে। দুর্দান্ত জয়ের পর বাংলাদেশের দৃষ্টি এখন ভারত ম্যাচের দিকে।
১৭ ডিসেম্বর শক্তিশালী ভারতের বিপক্ষে খেলবে বাংলাদেশের মেয়েরা। ভুটানের বিপক্ষে বড় ব্যবধানে জিতে সংবাদ সম্মেলনে বাংলাদেশ কোচ গোলাম রব্বানী ছোটন বলেছেন, ‘এ ম্যাচেও (ভুটানের বিপক্ষে) আমাদের লক্ষ্য ছিল নিজেদের স্বাভাবিক খেলা খেলার। সেটা মেয়েরা পেরেছে। সুযোগ এসেছে এবং সেগুলো কাজে লাগাতে পেরেছে। পরের ম্যাচ ভারতের বিপক্ষে। তাদের বিপক্ষে আমাদের ভালো করতে হবে। জিততে হবে। এখন আমরা ভারত ম্যাচ নিয়ে ভাবছি।’
ভুটান ম্যাচে আক্রমণের ঢেউ তুলে হাফ ডজন গোল পেয়েছে বাংলাদেশ। এজন্য ভাগ্যও পক্ষে ছিল বলে মনে করছেন কোচ, ‘প্রথম থেকেই মেয়েরা চেষ্টা করেছে সুযোগ কাজে লাগানোর। নেপালের বিপক্ষে ম্যাচে হয়নি, পোস্টে লেগে ফিরেছে। আজকে ভাগ্য সঙ্গে ছিল, সেদিন ছিল না।’
জোড়া গোলদাতা শাহেদা আক্তার রিপা প্রথমবার অনূর্ধ্ব-১৯ দলে খেলছেন। শাহেদার সঙ্গে তহুরা-মারিয়ারা কম যাননি। সবার সম্মিলিত নৈপুণ্যে বড় ব্যবধানে জয় এসেছে। পুরো ম্যাচেই স্বাগতিকদের দাপট ছিল দেখার মতো। অপেক্ষাকৃত দুর্বল দল ভুটানের বিপক্ষে চড়াও হয়ে খেলে গোল এসেছে।
তাই শিষ্যদের প্রশংসা করতে ভুল করেননি ছোটন, ‘দলে যারা আছে, তারা সবাই কঠোর পরিশ্রমী, মেধাবী খেলোয়াড়। নতুনদের সঙ্গে পুরনোদের পার্থক্য শুধু অভিজ্ঞতায়, বাকি সব ১৯-২০। অনূর্ধ্ব-১৫ দল থেকে এই প্রথম অনূর্ধ্ব-১৯ দলে খেললো রিপা। সে ভালো করেছে।’
৬ গোলে হেরেও শিষ্যদের পারফরম্যান্সে হতাশ নন ভুটান কোচ তানকা মায়া, ‘শ্রীলঙ্কা ও বাংলাদেশের মানের ব্যবধান অনেক। বাংলাদেশ অনেক উঁচুতে। এ কারণেই আমরা শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে জিততে পেরেছি, বাংলাদেশের বিপক্ষে পারিনি। তবে মেয়েরা যেভাবে খেলেছে, তাতে আমি সন্তুষ্ট।’