শক্তির দিক দিয়ে রহমগঞ্জের চেয়ে বসুন্ধরা কিংস অনেক এগিয়ে। তারপরেও প্রিমিয়ার লিগে চোখে চোখ রেখে লড়াই করলো পুরনো ঢাকার দলটি। প্রথমে গোল করে এগিয়ে গেলো। একপর্যায়ে ম্যাচের স্কোরলাইন ২-২ হলো। কিন্তু বর্তমান চ্যাম্পিয়ন বসুন্ধরা কিংসের সঙ্গে শেষপর্যন্ত পারেনি গোলাম জিলানির দলটি। মঙ্গলবার রোমাঞ্চকর ম্যাচে অস্কার ব্রুজনের দল ৩-২ গোলে হারিয়েছে রহমতগঞ্জকে।
বসুন্ধরা কিংস অ্যারেনাতে ম্যাচের শুরু থেকে ম্যাচের লাগাম নিয়ে নেয়। ইরানি ডিফেন্ডার খালেদ শাফিই ও বসনিয়ার ফরোয়ার্ড স্তোয়ান ভ্রানিয়েস এই ম্যাচে খেলেননি। তাদের ছাড়াই বসুন্ধরা কিংস অ্যারেনাতে ম্যাচের শুরু থেকে বসুন্ধরা ম্যাচে দাপট দেখাতে শুরু করে। ব্রাজিলিয়ান ফরোয়ার্ড রবিনিয়ো গোল করার পাশাপাশি সতীর্থদের দিয়ে করিয়েছেনও।
কিন্তু প্রথম গোলটি রহমতগঞ্জের। ম্যাচের ২৭ মিনিটে গতবার আবাহনী লিমিটেডে খেলা নাইজেরিয়ান স্ট্রাইকার সানডে চিজোবা গোল করে দলকে এগিয়ে নেন।
মাহমুদুল হাসান কিরনের কর্নারে সানডে চিজোবার হেড গোললাইন থেকে মোহাম্মদ ইব্রাহিম হেড করে ক্লিয়ার করার চেষ্টা করলেও সফল হননি। বল জড়িয়ে যায় জালে। পিছিয়ে থেকে বসুন্ধরার আক্রমণে তেজ বাড়ে।
তবে পরের মিনিটে বর্তমান চ্যাম্পিয়নরা ঠিকই সমতায় ফেরে। মাশুক মিয়া জনির সঙ্গে ওয়ান টু ওয়ান করে বক্সে ঢুকে কোনাকোনি শটে গোলকিপারের ওপর দিয়ে জালে জড়িয়ে দেন রবিনিয়ো।
৪৪ মিনিটে বসুন্ধরা স্কোরলাইন ২-১ করে। রবিনিয়োর লং বল থেকে ইব্রাহিম ডান পায়ে নিয়ন্ত্রণ রেখে গোলকিপারের পাশ দিয়ে জড়িয়ে দেন জালে।
তাদের অগ্রগামিতা বেশিক্ষণ থাকেনি। যোগ করা সময়ে ফিলিপ আযহাকে ফেলে দেন কাজী তারিক রায়হান। স্পট কিক থেকে সানডে চিজোবা লক্ষ্যভেদ করে রহমতগঞ্জকে সমতায় ফেরান। গোলকিপার আনিসুর রহমান জিকো বলের লাইনে ঝাঁপালেও শেষ রক্ষা করতে পারেনি।
বিরতির পর বসুন্ধরা জয়সূচক গোলটি করে ৭৬ মিনিটে। রবিনিয়োর কর্নার থেকে বদলি নেমে ইয়াসিন আরাফাত লাফিয়ে উঠে হেডে জাল কাঁপান।
৮৮ মিনিটে প্রতি আক্রমণ থেকে সানডে বক্সে ঢুকে ডান পায়ের জোরালো শটটি দূরের পোস্ট দিয়ে মেরে সুযোগ নষ্ট না করলে পুরনো ঢাকার দলটি এক পয়েন্ট পেতে পারতো।
বসুন্ধরা কিংস ৫ ম্যাচে চতুর্থ জয়ে ১২ পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষে আছে। সমান ম্যাচে রহমতগঞ্জ চতুর্থ হারে আগের এক পয়েন্টে ১১তম স্থানে জায়গা পেয়েছে।