আসন্ন এসএ গেমসে পুরুষ ফুটবলের চেয়ে মহিলা ফুটবলে প্রত্যাশা বেশি। প্রত্যাশার কারণ মহিলা দলের সাম্প্রতিক পারফরম্যান্স। মহিলা ফুটবল দল এ গ্রুপে স্বাগতিক ভারত ও আফগানিস্তানের সঙ্গে ছিল। পূর্ব ঘোষিত সূচি অনুযায়ী বাংলাদেশের প্রথম ম্যাচ ছিল ৯ ফেব্রুয়ারি।
আফগানিস্তান পুরুষ ফুটবলের মতো মহিলা ফুটবল থেকেও নাম প্রত্যাহার করেছে। ফলে মহিলা ফুটবলে পাঁচটি দেশ অংশ নিচ্ছে। এতে ফরম্যাটেও পরিবর্তন এনেছে আয়োজক কমিটি।
আফগানিস্তান নাম প্রত্যাহার করায় দুই গ্রুপ না করে আয়োজকরা রাউন্ড রবিন লিগ পদ্ধতি অনুসরণ করেছে। সেখানে পাঁচ দলের সবাই সবার সঙ্গে খেলবে। পয়েন্ট তালিকায় শীর্ষ দুই দল ১৫ ফেব্রুয়ারি ফাইনাল খেলবে। ব্রোঞ্জের জন্য তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচ হবে না। টেবিলে তৃতীয় স্থানে থাকা দল ব্রোঞ্জ পদক পাবে। নতুন ফিকশ্চার অনুযায়ী বাংলাদেশের প্রথম ম্যাচ ৫ ফেব্রুয়ারি নেপালের বিপক্ষে। বিষয়টি গতকালই বাংলাদেশ অলিম্পিক অ্যাসোসিয়েশনকে জানিয়েছে গেমস আয়োজক কমিটি।
আগের ফিকশ্চার অনুযায়ী মহিলা ফুটবল দল গেমসের উদ্দেশ্যে ৪ ফেব্রুয়ারি রওয়ানা দেওয়ার পরিকল্পনা করেছিল। নতুন সূচির ফলে বাংলাদেশ দল বেশ বিপত্তির মধ্যে পড়েছে। মহিলা ফুটবলের ভেন্যু শিলংয়ে। শিলংয়ে ঢাকা থেকে সরাসরি ফ্লাইট নেই। ৪ ফেব্রুয়ারি বিকেলে গোহাটি পৌঁছানোর কথা মহিলা ফুটবল দলের। গৌহাটি থেকে শিলংয়ের সড়ক দূরত্ব প্রায় আড়াই থেকে তিন ঘন্টা। বিকেলে গোহাটি পৌঁছে রাতে শিলং গিয়ে পরের দিন সকাল সকাল সাড়ে নয়টায় ম্যাচ খেলা অনেকটাই অসম্ভব।
বাফুফে বিওএ'কে ৪ ফেব্রুয়ারির পরিবর্তে ৩ তারিখে মহিলা ফুটবল দলকে পাঠানোর অনুরোধ করেছে। তবে ঐ দিন অবশ্য অন্য ডিসিপ্লিনের জন্য বিমানের সিট সংরক্ষিত রয়েছে। এর পাশাপাশি বিওএ'কে বাফুফে আরেক চিঠিতে জানিয়েছে, পুরুষ ও মহিলা ফুটবল দলকে ফেরার সময় সড়ক পথে না এনে বিমানে আনার জন্য। বাফুফের চাহিদার পরিপ্রেক্ষিতে অবশ্য এখনও কোনও আনুষ্ঠানিক সিদ্ধান্তে পৌছাতে পারেনি বিওএ।
মহিলা ফুটবল দলের কোচ গোলাম রব্বানী ছোটন নতুন ফরম্যাটের চেয়ে ভ্রমণ ঝক্কি নিয়ে বেশি চিন্তিত। তিনি বলেন, 'নতুন ফরম্যাট সবার জন্যই সমান। সব দলকেই ভিন্ন পরিকল্পনা করতে হবে। নেপাল শক্তিশালী প্রতিপক্ষ। ৪ তারিখ রাতে পৌঁছে পরের দিন সকালে নেমে ভালো পারফরম্যান্স করাটা কঠিন হবে। এরপরেও আমরা ফাইনালে খেলার চেষ্টা করব।'
/এমআর/