কমিউনিটি শিল্ড লিভারপুলের, জার্মান ‍সুপার কাপ বায়ার্নের

মৌসুম শুরুর প্রতিযোগিতা ইউরোপিয়ান ফুটবলে প্রায় সব দেশেই হয়ে থাকে। আগের মৌসুমের লিগ জয়ী ও কাপ জয়ীর মধ্যে হয়ে থাকে ভিন্ন ভিন্ন নামের লড়াই। ইংল্যান্ডে যেমন কমিউনিটি শিল্ড হয় প্রিমিয়ার লিগ ও এফএ কাপ জয়ী দলের মধ্যে। এবার সেই লড়াইয়ে মুখোমুখি হয়েছিল ম্যানচেস্টার সিটি ও লিভারপুল। মৌসুমের প্রথম শক্তির পরীক্ষায় জয় হয়েছে লিভারপুলের। ম্যানসিটিকে ৩-১ গোলে হারিয়ে কমিউনিটি শিল্ড জিতেছে অলরেডস।

ইংল্যান্ডে যেটি কমিউনিটি শিল্ড, জার্মানিতে সেটি জার্মান সুপার কাপ। এই লড়াইয়ে মুখোমুখি হয়েছিল বুন্দেলিগা চ্যাম্পিয়ন বায়ার্ন মিউনিখ ও জার্মান কাপ জয়ী আরবি লাইপজিগ। গোল উৎসবের এই ম্যাচে জয় হয়েছে বায়ার্নের। সাদিও মানের অভিষেক ম্যাচ ব্যাভারিয়ানরা জিতেছে ৫-৩ গোলে।

ইংল্যান্ডে কমিউনিটি শিল্ড দিয়ে গর্জন তুলেছে লিভারপুল। তারা জানান দিয়েছে, এবারের মৌসুমে আবারও ভয়ংকর হয়ে ফিরেছে ইয়ুর্গেন ক্লপের দল। লিস্টার সিটির মাঠ কিং পাওয়ার স্টেডিয়ামে দ্বিতীয়ার্ধের ঝড়ে ম্যান সিটিকে হারিয়ে শিরোপা জিতেছে অলরেডস।

শুরুতে এগিয়ে গিয়েছিল লিভারপুলই। ২১ মিনিটে তাদের লিড এনে দেন ট্রেন্ট আলেক্সান্ডার-আরনল্ড। দ্বিতীয়ার্ধে গিয়ে অবশ্য খেলার ফিরেছিল সিটিজেনরা। ৭০ মিনিটে হুলিয়ান আলভারেসের লক্ষ্যভেদে সমতায় ফেরে পেপ গার্দিওলার দল। কিন্তু শেষ কয়েক মিনিটের ঝড়ে জয়ের হাসি নিয়ে মাঠ ছাড়ে লিভারপুল। ৮৩ মিনিটে পেনাল্টি থেকে মোহামেদ সালাহ গোল করে আবারও এগিয়ে দেন লিভারপুলকে। আর ইনজুরি টাইমের চতুর্থ মিনিটে দারউইন নুনেজের গোলে জয় নিশ্চিত হয় অলরেডদের।

এদিকে জার্মান সুপার কাপে হয়েছে উত্তেজনাকর এই ম্যাচ। প্রথমার্ধেই বায়ার্ন ৩-০ গোলে এগিয়ে গিয়ে জয় দেখে নিয়েছিল। তবে লাইপজিগ জমিয়ে দিয়েছিল ম্যাচ। ১৪ মিনিটে বায়ার্ন এগিয়ে যায় জামাল মুসিয়ালার গোলে। এরপর ৩১ মিনিটে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন লিভারপুল থেকে এবারই বায়ার্নে নাম লেখানো সাদিও মানে। তার অভিষেক গোলের পর ৪৫ মিনিটে বেঞ্জামিন পাভার্দ জাল খুঁজে নিলে স্বস্তি নিয়ে বিরতিতে যায় বায়ার্ন।

বিরতি থেকে ঘুরে ৫৯ মিনিটে মার্সেল হালসটেনবার্গ গোল করলে কিছুটা আশা জাগে লাইপজিগের। তবে ৬৫ মিনিটে সের্গি জিনাব্রি জাল খুঁজে নিলে বায়ার্ন ব্যবধান বাড়ায় ৪-১ গোলের। পরের সময়টায় আবার নাটক! ৭৭ ও ৮৯ মিনিটে লাইপজিগ দুই গোল শোধ দিলে স্কোরলাইন দাঁড়ায় ৪-৩। ম্যাচের টানটান উত্তেজনায় এই মুহূর্তে ইনজুরি টাইমের অষ্টম মিনিটে গিয়ে লেরয় সেন লক্ষ্যভেদ করলে নিশ্চিত হয় বায়ার্নের জয়।