নেপালে ফুটবল উন্মাদনা নতুন কিছু নয়। কাঠমান্ডুর দশরথ স্টেডিয়ামে যেকোনও পর্যায়ের ফুটবলেই দর্শক উপস্থিতি ঈর্ষণীয়। আর সেটি যদি হয় নিজ দলের খেলা, তাহলে তো কথাই নেই। সোমবার সাফ নারী চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে বাংলাদেশ-নেপাল ম্যাচে গ্যালারিভর্তি দর্শক উপস্থিতি থাকার সম্ভাবনা বেশি। তাই মাঠের লড়াইয়ের পাশাপাশি সাবিনা খাতুনদের প্রতিকূল পরিবেশে মনোযোগ ধরে রেখে খেলাটাও বড় চ্যালেঞ্জ।
দশরথের আসন সংখ্যা ১৫ হাজারের মতো। ফুটবলপ্রেমী নেপালিরা গ্যালারি মাতিয়ে রাখবেন সেটা অনুমেয়। বাংলাদেশ দলের কোচ গোলাম রব্বানী ছোটনকে তাই স্বাগতিক দর্শক নিয়েও ভাবতে হচ্ছে। যদিও সাবিনাদের অনেকেরই হাজারো দর্শকের উপস্থিতিতে খেলার অভিজ্ঞতা আছে। কিন্তু শিরোপা নির্ধারণী ম্যাচ হওয়ায় তাদের উত্তীর্ণ হতে হবে স্নায়ু পরীক্ষাতেও।
তবে নেপালের কাঠমান্ডু পোস্টের ক্রীড়া সাংবাদিক প্রজ্জ্বল ওলিও ফাইনালে বাংলাদেশকেই এগিয়ে রাখছেন। যদিও মাঠে প্রতিকূল পরিবেশে স্বাগতিক দর্শকের উপস্থিতিতে সাবিনারা কতটুকু ভালো খেলতে পারবে- এ নিয়ে শঙ্কা আছে তার। বাংলা ট্রিবিউনকে বলেছেন, ‘আজ পরিষ্কারভাবে নেপালের বিপক্ষে বাংলাদেশ ফেভারিট। ভালো খেলছে সবাই। তবে মাঠে স্বাগতিকদের হয়ে হাজারো দর্শক থাকবে। তাদের উপস্থিতিতে সাবলীল খেলায় মনোযোগ ধরে রাখাটা কঠিন হতে পারে। সেক্ষেত্রে ম্যাচ জেতা সহজ হবে না। মানসিক দিয়ে ভেঙে না পড়লে চাপমুক্ত হয়ে খেলতে পারলে হয়তো জয়ের সম্ভাবনা থাকবে সাবিনাদের।’
অজেয় বাংলাদেশ চাইছে ট্রফি জিতেই দেশে ফিরতে। প্রথমবারের মতো তা করতে পারলে লেখা হবে নতুন ইতিহাস।