এ বছরই স্প্যানিশ কোচ হাভিয়ের কাবরেরার চুক্তির মেয়াদ শেষ হতে চলেছে। তবে আপাতত জাতীয় দলের কোনও খেলা নেই। তাই ৩৭ বছর বয়সী কোচের চুক্তির মেয়াদ বাড়ার বিষয়টি সামনে চলে এসেছে। তবে এখনই এ নিয়ে কোনও সিদ্ধান্ত হয়নি। আগামী নভেম্বরে আলোচনার ইঙ্গিত মিলেছে জাতীয় টিমস কমিটির চেয়ারম্যান ও বাফুফের অন্যতম সহ-সভাপতি কাজী নাবিল আহমেদের কথায়।
কাবরেরার মেয়াদ বাড়বে কিনা এমন প্রশ্নে কাজী নাবিল বলেছেন, ‘মেয়াদ বাড়ানো ভিন্ন ইস্যু, আজকে আমরা খোলামনে আলোচনা করেছি। নভেম্বর মাসেই জানা যাবে। মূলত তখনই সিদ্ধান্ত নিবো। এ মুহূর্তে সিদ্ধান্ত জরুরি কোনও বিষয় না। অন গোয়িং কাজ। ভালো-খারাপ সব অনুভূতি আছে। প্লেয়ারদের জন্য, দেশের জন্য কোনটা ভালো হবে, সে অনুযায়ী কাজ করতে হবে আমাদের।’
কাবরেরার অধীনে ৮ ম্যাচ খেলেছে বাংলাদেশ দল। একটিতে জয়, পাঁচটিতে হার ও দুটিতে ড্র করেছে জামাল ভূঁইয়ারা। নভেম্বরে টিমস কমিটির আরও একটি সভা আছে। সেখানে কোচের সঙ্গে চুক্তি নবায়ন নিয়ে নতুন করে সিদ্ধান্ত আসতে পারে বলে ইঙ্গিত কাজী নাবিলের।
দেশের ফুটবলের জন্য যা ভালো হয়, সেটাই করতে চান বাফুফের এই কর্মকর্তা, ‘নভেম্বরে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। নবায়ন হবে কিনা। এটা অনগোয়িং কাজ। ৫ দিনের মধ্যে কম্বোডিয়া ম্যাচ নিয়ে সন্তুষ্ট আবার নেপাল ম্যাচ নিয়ে স্যাটিসফাইড নই। বাহরাইন ও ইন্দোনেশিয়া ম্যাচে স্যাটিসফাইড আবার মালয়েশিয়ার বিপক্ষে ম্যাচ নিয়ে স্যাটিসফাইড নই। ভালো ও খারাপ দুটোই আছে। আমি তো এক ম্যাচ দিয়ে বিচার করবো না। ওভারঅল দেখবো। দেশের জন্য কোনটা ভালো হবে, সেটা চিন্তা করে কাজ করতে হবে।’
দীর্ঘদিন ধরে জাতীয় টিমস কমিটির চেয়ারম্যান পদে আছেন কাজী নাবিল। সেই অভিজ্ঞতা থেকে জাতীয় দলের পারফরম্যান্স নিয়ে ব্যাখ্যা দিয়েছেন এভাবে, ‘গত বছর সাফ ও তিন জাতির টুর্নামেন্টে চতুর্থ ম্যাচে যা দরকার ছিল তা হয়নি। এক গোলের ব্যবধানে পার্থক্য হয়ে গেলো। আমি নিজে দীর্ঘদিন ধরে জাতীয় দলের দায়িত্বে আছি। আমি সবসময় দেখেছি শেষ ১০, ৫ কিংবা ২ মিনিটে এসে আয়ত্তের মধ্যে থেকেও ফল আশানরূপ আসে না। আমি কোচের সঙ্গে আলোচনা করেছি। নেপালের বিপক্ষে সেটপিসে গোল খেয়েছি। সেখানে খেলোয়াড়দের আরও সংবেদনশীল হতে হবে। এই বিষয়ে আলোচনা করেছি।’
কোচ এখন কী করবেন? কাজী নাবিল বলেছেন, ‘লিগের খেলা দেখা। পরিকল্পনা করা। বিভিন্ন দেশের কোচরা যা করে তাই করবেন উনি।’