ইকুয়েডরকে ৭.৪ মিলিয়ন ডলার ঘুষ দিয়েছে কাতার?

বিশ্বকাপের আয়োজক হওয়ার পর থেকেই বিতর্ক আর কাতার যেন হাত ধরাধরি করে হেঁটেছে। টুর্নামেন্ট শুরুর মুহূর্তেও তা থেমে থাকলো কই? আয়োজক হতে ঘুষ দেওয়ার কথা তো পুরনো। এবার কাতার দলকে নিয়েও বিতর্ক উদ্বোধনী ম্যাচের আগে। অনলাইন মাধ্যমগুলোতে গুজব ছড়েছে ইকুয়েডরের বিপক্ষে জিততে নাকি বড় অঙ্কের ঘুষ দেওয়া হয়েছে! এই ধরনের গুজব নেতিবাচক প্রভাব ফেলবার কথা। তবে কাতারের স্প্যানিশ কোচ ফেলিক্স সানচেজ বলেছেন, এসব করে দলটিকে অস্থিতিশীল করে তোলার চেষ্টা করা হচ্ছে।

ভুলে গেলে চলবে না ‘এ’ গ্রুপধারী কাতার কিন্তু এশিয়ান চ্যাম্পিয়ন। যে গ্রুপটাতে আছে সেনেগাল ও নেদারল্যান্ডের মতো শক্তিশালী দল। তাই গ্রুপ পর্বের শক্তি বিবেচনায় কাতার আন্ডারডগ-ই। প্রীতি ম্যাচকে ঘিরেও রয়েছে একই অভিযোগ। গুজব নিয়ে কাতারের কোচ বলেছেন, ‘মনে হয় এখানে অনেক গুলো ভুল তথ্য আছে। আমার দৃষ্টিতে ইন্টারনেট অনেক বড় একটা টুল। তবে এটাও মনে রাখতে হবে এটা একই সঙ্গে বিপজ্জনকও।’

কাতারের কোচ মনে করেন, এসব মূলত দলকে অস্থিতিশীল করে তোলার চেষ্টা, ‘অনেক বছর ধরে অনুশীলন আর প্রস্তুতি নিয়ে কাজ করেছি। আমরা এখন মানসিকভাবে অনেক শক্ত ও একতাবদ্ধ। এসব সমালোচনা করে কেউ আমাদের অস্থিতিশীল করে তুলতে পারবে না।’

ঘুষের অভিযোগটা তুলেছেন সৌদি আরবে ব্রিটিশ সেন্টারের স্ট্র্যাটেজিক পলিটিক্যাল অ্যাফেয়ার্স ও রিজিওনাল ডিরেক্টর আমজাদ তাহা। টুইটারে তিনি দাবি করেছেন, ম্যাচ ছেড়ে দেওয়ার জন্য ইকুয়েডরের আট খেলোয়াড়কে ৭.৪ মিলিয়ন ডলার ঘুষ দেওয়া হয়েছে। ম্যাচের ফলও বলা হচ্ছে ১-০! আরও দাবি করেছেন, কাতার ও ইকুয়েডরের দলের অভ্যন্তর থেকেই এমন তথ্য পেয়েছেন তিনি।