তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচে পেনাল্টি থেকে বাংলাদেশকে লিড এনে দেন জীবন। ৩৮ মিনিটে দুর্দান্ত এক ফ্রি কিকে মালদ্বীপের আলী ফাসির ম্যাচে সমতা আনেন। ৬৫ মিনিটে ফাসিরের গোলে মালদ্বীপ ২-১ গোলে লিড নেয়। চার মিনিট পর সোহেল রানার গোলে আবার ম্যাচে সমতায় ফেরে।
টাইব্রেকারেও লড়াই ছিল সমানে সমান। প্রথম চার শটেই গোল করেন বাংলাদেশ-মালদ্বীপের খেলোয়াড়রা। অধিনায়ক আলী ফাসিরের নেওয়া পঞ্চম শটটি পোস্টের উপর দিয়ে চলে যায়। টাইব্রেকারে বাংলাদেশের শেষ শটে ডিফেন্ডার রায়হান হাসান আর ম্যাচের দৈর্ঘ্য বাড়াননি। গোল করে গেমসে বাংলাদেশের পদক তালিকায় একটি ব্রোঞ্জ বৃদ্ধি করেন।
২০১০ ঢাকা এসএ গেমসে স্বর্ণ জয়ী দলকে এবার ব্রোঞ্জ নিয়ে সন্তুষ্ট থাকতে হচ্ছে। টাইব্রেকারে গোল করেছেন আতিকুর রহমান ফাহাদ। এরপর জনি, রুবেল, ইয়াসিন তাকে অনুসরণ করেছেন। এবারের গেমসে বাংলাদেশের একমাত্র প্রাপ্তি নবীব নেওযাজ জীবন। চার ম্যাচে তিন গোল করেছেন।
এসএ গেমসের ফুটবলে বাংলাদেশের সাফল্য
১৯৮৪ রৌপ্য
১৮৯৫ রৌপ্য
১৯৮৯ রৌপ্য
১৯৯১ ব্রোঞ্জ
১৯৯৫ রৌপ্য
১৯৯৯ স্বর্ণ
২০১০ স্বর্ণ
২০১৬ রৌপ্য
/আরএম/এফআইআর/