রোজায় সিলেটে দর্শক উপস্থিতি নিয়ে সংশয়ে জামাল

সিলেট জেলা স্টেডিয়ামে আন্তর্জাতিক ম্যাচ মানে পরিপূর্ণ গ্যালারি। এর আগে বঙ্গবন্ধু গোল্ডকাপ কিংবা ফিফা প্রীতি ম্যাচে স্বাগতিকদের উৎসাহ দিয়ে গেছেন স্থানীয় সমর্থকরা। এবার সেশেলসের বিপক্ষে একই মাঠে দুটি প্রীতি ম্যাচ হতে যাচ্ছে ২৫, ২৮ মার্চ। তবে রমজান মাস হওয়ায় ম্যাচ দুটিতে প্রত্যাশিত দর্শকদের উপস্থিতি নিয়ে সংশয় রয়েছে।

২০১৪ সালে বাংলাদেশ ও নেপালের মধ্যকার ফিফা প্রীতি ম্যাচটিও সিলেটে হয়েছিল। এরপর সাফের বয়সভিত্তিক ও বঙ্গবন্ধু গোল্ডকাপ আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতা সেখানে হয়েছে। হয়েছে অন্য প্রীতি ম্যাচও।

এবার সেশেলসের বিপক্ষে দুটি ম্যাচ হতে যাচ্ছে। ম্যাচগুলো ইফতারের আগে দিনের আলোতে করার লক্ষ্য। তাই প্রত্যাশিত দর্শক উপস্থিতি নিয়ে সংশয়ে বাংলাদেশ অধিনায়ক জামাল ভূঁইয়া, ‘রমজান মাসে দর্শক কেমন আসবে তা নিয়ে কিছুটা সন্দিহান। যদি খেলাটা তারাবি নামাজের পর রাতে হতো, তাহলে হয়তো দর্শক কিছুটা বেশি হওয়ার সুযোগ থাকতো। তারপরেও আমি আশাবাদী সিলেটের মানুষ ক্রীড়ামনষ্ক। মাঠে তারা আসবেনই, বাংলাদেশের খেলা দেখবেন। আমরা তাদের নিরাশ করবো না।’

সিলেট স্টেডিয়াম সংলগ্ন জায়গায় দুপুরে মাইকিং শোনা গেছে, ৫০ টাকায় টিকিট কেটে দেখা যাবে ম্যাচ। সিলেট জেলা ক্রীড়া সংস্থার সাধারণ সম্পাদক ও বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের সদস্য মাহি উদ্দিন সেলিম অবশ্য পরিস্থিতি ব্যাখ্যা করতে গিয়ে বলেছেন, ‘আমরা শেষ মুহূর্তে জানতে পেরেছি খেলার টাইমিংয়ের বিষয়ে। এছাড়া ব্রুনাইও না করে দিয়েছে। তাই পুরোপুরি প্রচার-প্রচারণা চালাতে পারিনি। যদিও এরই মধ্যে টিকিট বিক্রি শুরু করে দিয়েছি। এখন দেখা যাক, রমজানে মাসে কী পরিমাণ দর্শক আসে।’