আরও গোল করতে না পারার আক্ষেপ ইন্টার কোচের

চ্যাম্পিয়নস লিগে গতকাল বিরল নজির স্থাপন করেছে ইন্টার মিলান। সেমিফাইনালে চতুর্থ দল হিসেবে শুরুর ১১ মিনিটে পেয়েছে দুই গোল। শেষ পর্যন্ত এই অগ্রগামিতাতেই প্রথম লেগে এসি মিলানকে ২-০ গোলে হারিয়েছে তারা।   

১৯৯৯ সালে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের বিপক্ষে জুভেন্টাস। ২০০৯ সালে আর্সেনালর বিপক্ষে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড এবং ২০২২ সালে রিয়াল মাদ্রিদের বিপক্ষে ম্যানচেস্টার সিটিও এমন নজির গড়েছিল। তাতে শুরুতেই অগ্রগামিতা পাওয়ায় ম্যাচের পুরো নিয়ন্ত্রণ ছিল ইন্টারের হাতে। তাতে চাপ তৈরি করতে পারায় বার বার আক্রমণে গিয়ে গোলের বেশ কিছু সুযোগও তৈরি করতে পেরেছে। কিন্তু ব্যবধান বাড়াতে পারেনি আর। ম্যাচের পর শিষ্যদের প্রশংসা করলেও ইন্টার কোচ সিমোন ইনজাগি বলেছেন ব্যবধান আরও বাড়তে পারতো, ‘প্রথমার্ধটা ছিল অসাধারণ। তবে স্কোরলাইন যেমনটা হওয়ার কথা ছিল তেমনটা হয়নি। গোল আরও হতে  পারতো। আমাদের এখন এই ধারা অব্যাহত রাখতে হবে। আমরা ভালো করেই জানি যে স্বপ্নটা আগস্ট থেকে এখন পর্যন্ত দেখে আসছি, তা আর মাত্র এক ধাপ দূরে।’    

প্রায় ২০ বছর পর ইউরোপিয়ান মঞ্চের সেমিফাইনালে মুখোমুখি হয়েছে ইতালিয়ান দুই ক্লাব। ইউরোপ সেরার মঞ্চে যাদের সাফল্যও নেই নিকট অতীতে। সর্বশেষ এই ইন্টারই ২০০৯-১০ মৌসুমে ইতালিয়ান ক্লাব হিসেবে শিরোপা জিতেছিল। আবারও শিরোপা জয়ের হাতছানি তাদের সামনে। দ্বিতীয় লেগ জিতলে তাদের প্রতিপক্ষ রিয়াল মাদ্রিদ কিংবা ম্যানচেস্টার সিটির মাঝে বিজয়ী কোনও দল। ফলে সান সিরোয় এই ম্যাচটা তাদের কাছে আবেগের চেয়েও বেশি কিছু। ইন্টার কোচও বললেন, ‘এটা সত্যিই ম্যাচটা ডার্বি। কিন্তু তার চেয়েও বেশি আবেগের। ছেলেরা ভালো করেই জানে আমাদের কী করতে হবে। যেমনটা বেনফিকার বিপক্ষে কোয়ার্টার ফাইনালে করেছিল।’