ডর্টমুন্ডের ড্রয়ে নাটকীয় ম্যাচ জিতে চ্যাম্পিয়ন বায়ার্ন

ঘরের মাঠে মেইঞ্জের কাছে ২-০ গোলে পিছিয়ে পড়েও ঘুরে দাঁড়ায় বরুসিয়া ডর্টমুন্ড। দ্বিতীয়ার্ধে রাফায়েল গুয়েরেইরো ও সুলের লক্ষ্যভেদে করলো ২-২ গোলে ড্র। অন্যদিকে বায়ার্ন মিউনিখ লিড নিয়েও গোল খেয়ে শিরোপা হারানোর শঙ্কা কাটিয়ে নাটকীয় জয় পায়। ২-১ গোলে তারা হারায় কোলনকে। তাতে দুই দলেরই পয়েন্ট সমান, তবে গোলব্যবধানে নির্ধারণ হলো এবারের বুন্দেসলিগা শিরোপা। টানা ১১তম বার জার্মানির শীর্ষ লিগ বুন্দেসলিগায় চ্যাম্পিয়ন হলো বায়ার্ন।

জিতলেই চ্যাম্পিয়ন, এই সমীকরণ মাথায় নিয়ে শনিবার সিগন্যাল ইদুনা পার্কে মেইঞ্জকে স্বাগত জানায় বরুসিয়া ডর্টমুন্ড। কিন্তু আধঘণ্টা যেতেই দুটি গোল খেয়ে বসে তারা। 

একই সময়ে মাঠে নামা ১০ বারের ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়ন বায়ার্ন মিউনিখ যেন স্বস্তির খবর পায়। কোলনের মাঠে ৮ মিনিটে কিংসলে কোম্যানের গোলে এগিয়ে যাওয়ায় শিরোপার সুবাস পাচ্ছিল তারা। তবে ৮১ মিনিটে লুবিচিচের পেনাল্টিতে বায়ার্ন গোল হজম করলে আবার উত্তেজনা ছড়ায়। কারণ জয়ের বিকল্পই যে ছিল না মিউনিখ ক্লাবের সামনে। তারা ড্র করলেই যে হেরেও ট্রফি জিতে যাবে ডর্টমুন্ড।

কিন্তু ঘুরে দাঁড়াতে পিছপা হয়নি বায়ার্ন। ৮৯ মিনিটে জামাল মুসিয়ালা গোল করেন। তাতে সমান পয়েন্ট নিয়েও গোল ব্যবধানে এগিয়ে থেকে চ্যাম্পিয়ন হলো তারা। শেষ অর্ধে দুটি গোল করে বায়ার্নের সমান পয়েন্ট পেলেও আশাহত হলো ডর্টমুন্ড।

গত সপ্তাহে আরবি লাইপজিগের কাছে হেরে শিরোপার দৌড়ে বড় ধাক্কা খেয়েছিল বায়ার্ন। ডর্টমুন্ড জিতে তাদের ২ পয়েন্ট পেছনে ফেলেছিল। মেইঞ্জকে হারিয়ে বায়ার্নের ১০ বছরের একচ্ছত্র আধিপত্য ভেঙে দেওয়ার সুযোগ ছিল, কিন্তু পারলো না। ডর্টমুন্ডের আশা ভেঙে মেইঞ্জ বায়ার্নকে তুলে দিলো শিরোপা। 

৩৪ ম্যাচে ৭১ পয়েন্ট নিয়ে টানা ১১তম বুন্দেসলিগা জিতলো বায়ার্ন। সমান পয়েন্ট নিয়ে রানার্সআপ ডর্টমুন্ড। গোলব্যবধানে বায়ার্ন (৫৪) পেছনে ফেললো ডর্টমুন্ডকে (৩৯)।