তিনবার ইউরোপিয়ান ফুটবলের শ্রেষ্ঠত্ব অর্জন করা ইন্টার মিলান আজ ফাইনালে এমন দলের মুখোমুখি যারা কখনও চ্যাম্পিয়নস লিগ জেতেনি। অথচ এবারের আসরের ফেভারিটও সেই দল। বলা হচ্ছে ইংলিশ জায়ান্ট ম্যানচেস্টার সিটির কথা।
নিজেদের অবস্থান সম্পর্কে সচেতন ইন্টার মিলানও বসে থাকার দল নয়। ইন্টার কোচ সিমোন ইনজাগি জানিয়েছেন, সবাইকে চমকে দিতে প্রস্তুত তারা। ফেভারিট সিটিকে হারিয়ে ইতিহাস গড়ার সুযোগটি হেলায় হারাতে চান না তিনি। ম্যাচের আগে বলেছেন, ‘জানি ইতিহাস গড়তে আমাদের সামনে অনেক বড় সুযোগ। ব্যাপারটা কঠিন, তার পরেও আমরা চেষ্টা করবো। সম্মিলতি চেষ্টার ফলেই এত দূর আসা সম্ভব হয়েছে। একইভাবে আমরা শনিবার জয়ের লক্ষ্য নিয়ে নামবো।’
ম্যাচটা শুরু হবে শনিবার দিবাগত রাত ১টায়। তার আগে কিছু তথ্যে নজর দেওয়া যাক-
*এবারই প্রথম প্রতিযোগিতামূলক ম্যাচে মুখোমুখি ম্যানসিটি-ইন্টার। ২০০৫ সালের পর এই প্রথম চ্যাম্পিয়নস লিগ ফাইনাল দিয়ে কোনও দুই দল প্রথমবার মুখোমুখি।
* এই মৌসুমে চ্যাম্পিয়নস লিগে ১২টি গোল আর্লিং হাল্যান্ডের। ইংলিশ কোনও ক্লাবের খেলোয়াড় হিসেবে যা যৌথ সর্বোচ্চ।
* আজ জিতলে ইতিহাসের অংশ হবেন সিটি কোচ পেপ গার্দিওলা। ইউরোপিয়ান ফুটবলের প্রথম কোচ হিসেবে দুটি ট্রেবল জয়ের কীর্তি গড়বেন তিনি। তার প্রথম ট্রেবল এসেছিল বার্সেলোনার হয়ে ২০০৯ সালে।
* পুরো মৌসুমে জমাট রক্ষণের জন্য প্রশংসিত ইন্টার। নক আউটে পুরো মৌসুমে গোল হজম করেছে মাত্র ৩টি। যার সবগুলো এসেছে শেষ আটে বেনফিকার বিপক্ষে।
* ইন্টার ইউরোপিয়ান শ্রেষ্ঠত্বের শিরোপা জিতেছে তিনবার। ম্যানসিটি সেই জায়গায় একবারও জিততে পারেনি। গত তিন বছরে দ্বিতীয় ফাইনাল খেলতে নামছে তারা।
* এই মৌসুমে সিটির মিডফিল্ড ছাড়া বেশি অ্যাসিস্টের রেকর্ড নেই কারও। সবগুলো করেছেন কেভিন ডি ব্রুইনা- ৬টি।
* চ্যাম্পিয়নস লিগ যুগে ম্যানসিটি শিরোপা জিতলে চতুর্থ ইংলিশ দল হিসেবে শিরোপা ঘরে তুলবে। তাদের আগে শিরোপা ঘরে তুলেছে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড, লিভারপুল ও চেলসি। তাতে ইতালিয়ান ক্লাবগুলোর মোট শিরোপা সংখ্যাকে পেছনে ফেলবে ইংল্যান্ড।