আগামীকাল বুধবার থেকে সাফ চ্যাম্পিয়নশিপের ১৪তম আসর মাঠে গড়াচ্ছে। এই প্রথম দক্ষিণ এশিয়ার বাইরে থেকে দুটি দেশ অংশ নিতে যাচ্ছে। আমন্ত্রিত দল লেবানন ও কুয়েতকে নিয়ে দুই গ্রুপে ৮টি দেশ ট্রফির জন্য লড়বে। ২০০৩ সালের চ্যাম্পিয়ন বাংলাদেশও দক্ষিণ এশিয়ার বিশ্বকাপে লড়াইয়ের জন্য প্রস্তুত।
আজ মঙ্গলবার বেঙ্গালুরুতে আনুষ্ঠানিক সংবাদ সম্মেলনে ‘বি’ গ্রুপে বাংলাদেশ নিজেদের অবস্থান পরিষ্কার করেছে। লাল-সবুজ দলের স্প্যানিশ কোচ হাভিয়ের কাবরেরার এটাই প্রথম সাফ অভিযান। এই লড়াইয়ে তার দল যে প্রস্তুত তা মনে করিয়ে দিয়েছেন ৩৭ বছর বয়সী কোচ।
সংবাদ সম্মেলনে কাবরেরা বলেছেন, ‘আমরা দুই সপ্তাহের অনুশীলন করেছি। শুরুতে ঢাকায় সাত দিনের মতো ছিলাম। এরপর কম্বোডিয়াতে দুটি ম্যাচ খেলেছি। একটি স্থানীয় দলের বিপক্ষে অন্যটিতে প্রতিপক্ষ ছিল জাতীয় দল। আমরা ইতিবাচক ফল করেছিলাম। সেখান থেকে ইতিবাচক মানসিকতা নিয়ে বেঙ্গালুরুতে এসেছি। এখন আমার দল পুরোপুরি প্রস্তুত। গ্রুপটা ভালো হয়েছে। কঠিন দলের বিপক্ষে উজ্জীবিত হয়ে খেলবে দল।’
২২ জুন প্রথম ম্যাচে বাংলাদেশের প্রতিপক্ষ লেবানন। প্রথম ম্যাচ থেকেই ইতিবাচক কিছু করে দেখানোর অপেক্ষায় কাবরেরা, ‘লেবানন অনেক ম্যাচ খেলেছে। খেলেই সাফে অংশ নিচ্ছে। তাদের প্রস্তুতি ভালো বলতে হবে। আমাদের জন্য সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ অনেক কঠিন। কিন্তু আমরা তৈরি। কী করতে হবে আমাদের সবার তা জানা। আমার বিশ্বাস, বাংলাদেশ অন্যদের চেয়ে ভিন্ন দল হবে। আমার মনে হয় না অন্যদের জন্য তা সুবিধাজনক হবে।’
বাংলাদেশের গ্রুপে শুধু লেবানন নয়, আছে মালদ্বীপ ও ভুটানের মতো দল। ফিফা র্যাঙ্কিংয়ে বাংলাদেশ সবার পেছনে। তাই গ্রুপটা কঠিন হবে তা আবারও মনে করিয়ে দিলেন কোচ, ‘আমার মনে হয় এই গ্রুপে লড়াইটা কঠিন হবে। কেন না সবাই সেমিফাইনালে যেতে চাইছে। সবাই উন্নতি করতে চাইছে। আমাদের জন্য কঠিন তো হবেই। পাঁচ আসরে সেমিফাইনালে যাওয়া হয়নি আমাদের। তবে আমরা বিশ্বাস করি পরিকল্পনা অনুযায়ী সেরাটা খেলতে পারলে এবার সেমিফাইনালে যাওয়ার সুযোগ আছে। তিনটি ম্যাচে লড়াই করে লক্ষ্য পূরণ করতে হবে।’