বঙ্গবন্ধু সাফ চ্যাম্পিয়নশিপে গ্রুপে প্রথম ম্যাচ হেরে বিপাকে আছে বাংলাদেশ। আগামীকাল রবিবার মালদ্বীপের বিপক্ষে না জিততে পারলে সাফ স্বপ্ন ওখানেই শেষ হয়ে যেতে পারে। তাই জামাল-তপুরা নিজেদের শক্তির শেষ বিন্দু দিয়ে মালদ্বীপ ম্যাচ জিততে চাইছেন।
বেঙ্গালুরুর বাইচুং ভুটিয়া একাডেমি মাঠে সবার অবয়বে ছিল কঠিন সুর। ঠিকমতো তাল-লয়ে খেলতে পারলে মালদ্বীপ জয় যে অসম্ভব কিছু না, তাই যেন সবাই বলতে চেয়েছেন।
দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞ ডিফেন্ডার তপু বর্মণ আশাবাদী কণ্ঠে সংবাদমাধ্যমকে বলেছেন, ‘দেখুন শেষ ম্যাচটা (লেবাননের বিপক্ষে) আমরা দারুণভাবে শুরু করেছিলাম। আমাদের চেষ্টা ছিল শুধু গোল সেভ করা নয়, গোল করাটাও। সেখানে ভুল হয়েছে। সারা বিশ্বের ফুটবলে হয়। আমাদের ভুলগুলো মেনে নিচ্ছি। পুনরায় যেন আর না হয় আমরা সতর্ক।’
কালকের ম্যাচ নিয়ে আত্মবিশ্বাসের সুর বসুন্ধরা কিংসের এই ডিফেন্ডারের কণ্ঠে, ‘এনিয়ে আলোচনা করেছি। কীভাবে কালকের ম্যাচটা মুখোমুখি হবো। কীভাবে খেলবো। গ্রুপ মিটিংয়ে আলোচনা হয়েছে। আত্মবিশ্বাসী আমরা। আমাদের করণীয়টা কালকে মাঠেই দেখাবো।’
মালদ্বীপের বিপক্ষে ফাইনাল ম্যাচ ধরে নিয়ে সবাই খেলতে নামবেন। জিতলে টিকে থাকবে দল। হারলে বিদায় অনেকটা নিশ্চিত। তাই তপুরা শুধু নিজেদের জন্য নয়, দেশের জন্যও খেলতে চাইছেন। তপু সবার হয়ে যেমন বলেছেন, ‘সবাই অনেক দিন ধরে জাতীয় দলে খেলছি। আমাদের সেই ধারণাটা আছে, চাপ থাকা ম্যাচটা কীভাবে খেলতে হয়। এখন ভিন্ন প্রেক্ষাপট। হেরে শুরু করেছি। এই ম্যাচটা ফাইনাল ম্যাচ আমাদের জন্য। না জিততে পারলে সাফ থেকে বাদ পড়বো। সব খেলোয়াড়দের জন্য বড় দায়িত্ব। শুধু নিজেদের জন্য নয়, বাংলাদেশের জন্য কালকে আমাদের জিততে হবে।’
গোলের খেলা ফুটবল। মালদ্বীপের বিপক্ষে গোল করার পাশাপাশি যেন প্রতিপক্ষ গোল না করে সেই চেষ্টাও থাকবে তপুর, ‘কীভাবে ক্লিনশিট রাখবো সেই চেষ্টা করবো। সর্বোচ্চ চেষ্টা থাকবে। অবশ্যই কালকে ভালো চেষ্টা থাকবে।’
আবাহনীর মিডফিল্ডার মোহাম্মদ সোহেল রানা প্রতিপক্ষের দুর্বল ও শক্তিশালী দিক নিহিত করেছেন। তিনি বলেছেন, ‘ওদের শক্তিশালী ফরোয়ার্ড জোনকে ভেঙে এগিয়ে যাওয়ার মতো খেলোয়াড় আমাদের আছে। আমরা আজকেও কথা বলছি। কালকে আমাদের ফাইনাল ম্যাচ। আগে আমি ছিলাম না। এখন আছি। টিমের ভারসাম্য দেখে মনে হচ্ছে আমরা ভালো কিছু করবো। এর জন্য আগামীকাল মাঝ মাঠের দখলটা নিতে হবে।’