মালদ্বীপের বিপক্ষে ম্যাচে রাকিবের সমতাসূচক গোলের পর তারিকের লক্ষ্যভেদে বাংলাদেশ এগিয়ে যায়। ম্যাচের শেষ দিকে এসে ফিনল্যান্ডে জন্ম নেওয়া তারিক চোটের কারণে খুঁড়িয়ে খুঁড়িয়ে মাঠ ছাড়েন। তাতে তাকে ঘিরে উদ্বেগ বাড়ে। তবে আজ তাকে হোটেলে বিশ্রামে রাখা হয়েছে। দলের সঙ্গে তিনি অনুশীলন করতে চাইলেও তাকে অনুমতি দেওয়া হয়নি। পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে তাকে।
জাতীয় দলের ম্যানেজার আমের খান সংবাদমাধ্যমকে বলেছেন, ‘তারিক কাজী যখন মাঠ থেকে উঠে আসে আমরা উদ্বিগ্ন হয়ে পড়ি যে ওর কী হলো? এক্সরে রিপোর্টটা পেলাম। সেখান চিঁড় কিংবা বড় কোনও সমস্যা দেখা দেয়নি। গতকাল উপভোগ করেছে সবার সঙ্গে। সে সবাইকে বলেছে আমরা ফিরবো, চ্যাম্পিয়ন হবো। চ্যাম্পিয়ন হওয়ার জন্য যেমন মনোবল দরকার সেটা তার আছে।’
তারিক অনুশীলনে ফেরার জন্য ব্যাকুল ছিলেন। কিন্তু তাকে অনেকটা জোর করেই বিশ্রামে রাখা হয়েছে। আমের খান বলেছেন, ‘সে আজকেও অনুশীলনে আসতে চেয়েছিল। তাকে জোর করে হোটেলে রেখে এসেছি। আমরা বলেছি তুমি বিশ্রাম নাও। যেহেতু আজ থেকে মেডিকেশন শুরু হচ্ছে। সেটা নাও। তারপর আমরা দেখবো।’
তারিকের বিকল্প কিছুটা চিন্তা করলেও তাকে শেষ পর্যন্ত দেখা হবে বলে ম্যানেজার জানিয়েছেন, ‘কেউ ব্যথা পেলে অন্য কাউকে চিন্তা করা হয়। ও পর্যবেক্ষণে আছে। রাতে বুঝতে পারবো ও কোন অবস্থায় আছে। মাত্র ওর মেডিকেশন শুরু হয়েছে।’
মালদ্বীপকে হারিয়ে হোটেলে দারুণ অভ্যর্থনা পেয়েছেন জামাল-তপুরা। আমের খানের ভাষায়, ‘আমাদের হোটেলে ভারত ও কুয়েত দল ছিল। আমরা জেতার পর রাতে হোটেলের লোকজন কেক এনে রেখেছিল। অন্য দলের জন্য করেনি। আসলে আমাদের আন্তরিকতা মন জয় করে নিয়েছে। সবার দোয়া মনোবল বাড়িয়েছে, এই ফল হয়েছে।’