মালদ্বীপকে হারিয়ে বাংলাদেশ উজ্জীবিত

বঙ্গবন্ধু সাফ চ্যাম্পিয়নশিপে পরিকল্পনা অনুযায়ী খেলতে শুরু করেছে বাংলাদেশ। লেবাননের বিপক্ষে শেষ দিকে এসে ভেঙে পড়লেও মালদ্বীপকে ৩-১ গোলে হারিয়েছে। এমন ম্যাচে জয়ের পর দলের সবারই আত্মবিশ্বাসের পারদ বেড়েছে। জাতীয় দলের সহকারী কোচ হাসান আল মামুন শিষ্যদের কাছ থেকে দেখে নানান কথা শুনিয়েছেন।

অনুশীলনের এক ফাঁকে জাতীয় দলের সাবেক তারকা ফুটবলার শিষ্যরা যে ঠিকঠাক সবকিছু করতে পারছে সেটাই সংবাদমাধ্যমকে বলেছেন, ‘আমাদের খেলোয়াড়রা তৈরি। তাদের যে পরিকল্পনা দিয়েছি সেটাই সফল করেছে। তারা শতভাগ মার্ক পেয়েছে। কখনোই পরিকল্পনা থেকে বেরিয়ে আসেনি। শুরু থেকে প্রতিপক্ষের রক্ষণে চাপ দিয়েছি। পরিকল্পনা ছিল তা বাস্তবায়ন হয়েছে ভালোভাবেই।’

মালদ্বীপকে হারিয়ে দল আগের চেয়ে উজ্জীবিত। মামুন সেটাই জানালেন, ‘আমরা উজ্জীবিত। এটা দরকার ছিল। আত্মবিশ্বাস যখন তৈরি হবে তারা অন্য লেভেলে যাবে। আমাদের দলটা গত ম্যাচে জেতার পর আত্মবিশ্বাসটা আরও ভালো পর্যায়ে নিয়ে গিয়েছে। পরের ম্যাচে আরও উজ্জীবিত হতে সহায়তা করবে। আশা করবো খেলোয়াড়রা সর্বোচ্চটা দেবে। ভুটানের বিপক্ষে জয় দিয়ে শেষ করবো গ্রুপ পর্ব।’

ভুটানকে হারানোর প্রত্যয় বাংলাদেশের

২০০৩ সালে মালদ্বীপকে হারানো ম্যাচে অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ খেলোয়াড় ছিলেন মামুন। এবার ২০ বছর পর দ্বীপদেশটিকে হারানোর সময় ডাগ আউটে। এই অনুভূতি অন্যরকম বললেন তিনি, ‘জাতীয় দলে খেলোয়াড় ও কোচ হয়ে থাকাটা আমি উপভোগ করছি। বাংলাদেশ দল প্রথম ম্যাচে লেবাননের বিপক্ষে পরিকল্পনা অনুযায়ী খেলেছিলাম। দুর্ভাগ্য যে হেরে গেছি। আমাদের চ্যালেঞ্জ ছিল। লেবানন সম্পর্কে চুলচেরা বিশ্লেষণ ছিল। মূল বিশ্লেষণ ছিল মালদ্বীপ ও ভুটানকে নিয়ে। আমরা এই দুটি দল নিয়ে অনেক আগে থেকেই বিশ্লেষণ করে আসছি। যে করেই হোক জিততে হবে।’

বাংলাদেশ দলে মোরসালিন-হৃদয়ের মতো তরুণ খেলোয়াড়রা রয়েছেন। তাদের নিয়ে পথচলা সহজ ছিল না বলে জানালেন মামুন, ‘ছেলেরা পরিকল্পনা অনুযায়ী খেলেছে। দলে ৮ থেকে ১০ জন নতুন খেলোয়াড়। তাদেরকে খেলানো সহজ ছিল না। আমরা ঠিকভাবে এগিয়ে চলেছি। সাফ আমাদের কাছে বিশ্বকাপের মতো।’