বঙ্গবন্ধু সাফ চ্যাম্পিয়নশিপে মালদ্বীপের বিপক্ষে বাংলাদেশ একটা সময় ১-১ সমতায় ছিল। তারপর ডিফেন্ডার তারিক কাজীর গোলেই মেলে জয়ের রসদ। তবে শেষের দিকে এসে চোট পেয়ে খুঁড়িয়ে খুঁড়িয়ে মাঠ ছাড়তে হয়েছে তাকে। যা পরে বাংলাদেশ শিবিরে জন্ম দেয় শঙ্কার। তবে বুধবার ভুটানের বিপক্ষে গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে ফিনল্যান্ডে জন্ম নেওয়া এই ডিফেন্ডারের যে খেলা হচ্ছে না সেটা মোটামুটি নিশ্চিত।
পরীক্ষা-নিরীক্ষা করার পর তারিককে পূর্ণ বিশ্রাম দেওয়া হয়েছে। যে কারণে দল মাঠের অনুশীলনে থাকলেও তাকে হোটেলের রুমে অবস্থান করতে হয়েছে। তাকে ছাড়াই ভুটানের বিপক্ষে লাল-সবুজ দলকে মাঠে নামতে যাচ্ছে। জাতীয় দলের ম্যানেজার আমের খানের কথাতেও মিললো সেই ইঙ্গিত। তিনি বাংলা ট্রিবিউনকে বলেছেন, ‘তারিকের গোড়ালিতে চোট। ভুটানের বিপক্ষে ম্যাচে তাকে পাওয়া যাবে না। দল যদি সেমিফাইনালে উঠতে পারে তাহলে হয়তো তারিক থাকবে।’ তারিকের জায়গায় রহমত মিয়া কিংবা মেহেদি হাসানের মাঠে নামার সম্ভাবনা রয়েছে।
অধিনায়ক জামাল ভূঁইয়া অবশ্য সতীর্থ তারিককে মিস করার কথা বলেছেন, ‘আমরা তারিককে মিস করবো। সে সবসময় সেরা। তবে যারা আছে, তারাও ভালো করবে আমার বিশ্বাস।’
তারিককে হারিয়ে গোলকিপার আনিসুর রহমান জিকো বলেছেন, ‘মিডফিল্ড আমাদের শক্তিশালী। সেটপিসও ভালো। এভাবে খেলতে পারলে ভালো হবে। তবে তারিকের পজিশনে সম্ভবত বিশ্বনাথ খেলতে পারে। তাতে সমস্যা হবে না, সে আগেও খেলেছে। সব আগের মতো ঠিকঠাক করতে পারলে আমরা জিতবো।’
এখন দলের সবাই যে সিরিয়াস সেটা বোঝা গেলো জিকোর কথায়। তারা মালদ্বীপ ম্যাচের মতোই উদাহরণ রাখতে চান আবার, ‘আমরা সবাই সিরিয়াস। শেষ দুটি সাফে কাছ থেকে বিদায় নিতে হয়েছে। এখন লক্ষ্য ভুটানকে হারানো। মালদ্বীপের সঙ্গে যেভাবে খেলেছি, সেটি করতে পারলে জয় নিয়ে মাঠ ছাড়তে পারবো।’