বিশ্বাস ছিল সামনাসামনি বসলেই সব ঠিক হয়ে যাবে: পাপন

তামিম ইকবালের অবসরের ঘোষণা টক অব দ্য কান্ট্রিতে পরিণত হয়েছে। বৃহস্পতিবার দুপুর দেড়টায় সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে তিনি অবসরের ঘোষণা দেন। তার এই সিদ্ধান্তের পর ওইদিনই মধ্যরাতে বিসিবি জরুরি সভা ডাকে। সেখানে বোর্ড সভাপতি নাজমুল হাসান পাপন সন্দেহ করেছিলেন আবেগপ্রবণ হয়েই তামিম এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।

শুক্রবার ছুটির দিন সাবেক অধিনায়ক ও বর্তমান সংসদ সদস্য মাশরাফি মর্তুজার মাধ্যমে তামিমকে ডেকে আনেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তামিম সস্ত্রীক গণভবনে উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া বোর্ড সভাপতি পাপনও ছিলেন সেই বৈঠকে। প্রধানমন্ত্রীর সাথে বৈঠকের পর অবসর ভেঙে মাঠে ফেরার সিদ্ধান্ত জানান বাঁহাতি ওপেনার। 

বৃহস্পতিবার মৌখিকভাবে ক্রিকেট পরিচালনা বিভাগকে অবসরের কথা জানালেও শুক্রবার সকালে মেইলের মাধ্যমে তামিম তার সিদ্ধান্ত বিসিবিকে জানান। তবে শেষ পর্যন্ত সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার করে নিয়েছেন দেশসেরা এই ওপেনার। 

গণভবনে সভা শেষে বোর্ড সভাপতি পাপন গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন, ‘প্রেস কনফারেন্সটা দেখে আমার একটা ধারণা হয়েছিল, এত ক্ষোভ! হয়তো ও আবেগপ্রবণ হয়ে সিদ্ধান্তটা নিয়েছে। আমার একটা বিশ্বাস ছিল, ওর (তামিম) সঙ্গে সামনাসামনি বসতে পারলে হয়তোবা এর একটা সমাধানে যেতে পারবো। আজকে (শুক্রবার) মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর মাধ্যমে আমরা সবাই ওর সঙ্গে বসেছিলাম। ও আপনাদের সামনেই বলে গেলো, সে যে পদত্যাগের চিঠিটা দিয়েছে সেটা সে প্রত্যাহার করেছে। সে অবসর নেয়নি।’

অবসরের ঘোষণা স্থগিত করলেও সহসাই ফিরছেন না তামিম। আগামী এক থেকে দেড় মাস পুনর্বাসন প্রক্রিয়ার সাথে সম্পৃক্ত থেকে মাঠে ফিরবেন। এশিয়া কাপে অধিনায়ক নাকি সাধারণ সদস্য হিসেবে ফিরবেন, সেটি এখনও নিশ্চিত নয়। বিশ্বকাপেও অধিনায়ক হিসেব ফিরবেন কি না সেটাও এখনই বলা যাচ্ছে না।

তামিমের ফেরাটা বিসিবির জন্য স্বস্তির উল্লেখ করে পাপন বলেছেন, ‘অবশ্যই আমাদের জন্য স্বস্তির। আমাদের ক্যাপ্টেন যদি না থাকে তাহলে খেলবো কীভাবে। তবে সে যেহেতু ফিজিক্যালি ও মেন্টালি এখনও ফিট না। সেজন্য সে দেড়মাস ছুটি নিয়েছে। এই দেড়মাসে রিহ্যাব করে খুব শিগগিরই সে আমাদের ক্রিকেটে ফিরে আসবে।’