তদন্ত রিপোর্ট জমা দিয়েছে কাজী নাবিলের কমিটি

বাফুফের সাবেক সাধারণ সম্পাদকের আর্থিক অনিয়ম ও ফিফার অভিযোগ নিয়ে গঠিত তদন্ত কমিটি দীর্ঘ তদন্ত শেষে আজ রবিবার রিপোর্ট জমা দিয়েছে। বিকালে দ্বাদশ ও শেষ মিটিং করে কাজী নাবিল আহমেদের নেত্বত্বাধীন কমিটি বাফুফে সভাপতি কাজী সালাউদ্দিনের কাছে রিপোর্ট হস্তান্তর করেন। এই রিপোর্টে সুপারিশের পাশাপাশি বিভিন্ন দিক তুলে ধরে হয়েছে বলে সংবাদমাধ্যমকে জানানো হয়েছে।

তদন্ত কমিটির রিপোর্ট এখন বাফুফের নির্বাহী কমিটির সভাতে আলোচনা হবে। সেখানেই সিদ্ধান্ত হবে পরবর্তি করণীয়। তদন্ত কমিটির প্রধান ও বাফুফের অন্যতম সহ-সভাপতি কাজী নাবিল আহমেদ রিপোর্ট হস্তান্তর শেষে সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন, ‘প্রতিবেদনটি কিছুক্ষণ আগেই সভাপতি মহোদয়ের কাছে হস্তান্তর করে এসেছি। এখানে আমাদের এর বেশি কিছু বলার নেই। তিন মাস তদন্ত করে আমরা রিপোর্টটি নির্বাহী কমিটির সামনে উপস্থাপনের জন্য সভাপতির কাছে হস্তান্তর করেছি। পরের যা কিছু, যে ব্যবস্থা নেওয়ার, সেটা নির্বাহী কমিটি করবে। আশা করি, আমরা যে রিপোর্টটি দিয়েছি, তা বাস্তবায়ন হলে আগামীতে বাফুফের কার্যক্রম আরও সুষ্ঠভাবে পরিচালনা করা সম্ভব হবে।’

তদন্তে ফাইন্ডিংস খুঁজে পেয়েছে কমিটি। স্বাধীন থেকে কাজ হয়েছে বলে  কমিটির প্রধান জানিয়েছেন, ‘আমরা যে তদন্ত করেছি, সেখানে আমাদের যে ফাইন্ডিংস সেটা কিন্তু আমরা প্রতিবেদনেই উল্লেখ করেছি। সেটা রিপোর্টের অংশ, সেহেতু এটা নিয়ে এখানে কিছু বলতে পারছি না। ফিফার অভিযোগগুলোই আমরা আরও গভীরে গিয়ে খতিয়ে দেখেছি। এর সাথে আরও কিছু বিষয় যুক্ত ছিল, সেগুলো হয়তো পরবর্তীতে বাফুফেতে সংরক্ষিত থাকবে। সম্পূর্ণ ফেয়ারভাবে আমরা কাজটা করার চেষ্টা করেছি। কমিটির সকলে মিলে আলোচনা করেই আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি।’

তদন্তে কিছু সুপারিশ করা হয়েছে। যদিও তা বলতে চাননি কমিটির প্রধান। তবে ভবিষ্যতে যেন এমন ঘটনা না ঘটে সেই দিকে জোর দেওয়া হয়েছে বলেছেন কাজী নাবিল, ‘আমাদের প্রতিবেদনেই থাকবে। কিছু সুপারিশও আছে। আমাদের এই কমিটি করা হয়েছে, বাফুফের কার্যক্রমকে আরও তরান্বিত করার জন্য। ভবিষ্যতে যেন এই প্রশ্নগুলো না ওঠে, সেজন্য। ভবিষ্যতে যারা কাজ করবে, তারা যেন আমাদের এই ফাইন্ডিংস থেকে কাজ করতে পারে, যাতে করে ফিফা বা এএফসি থেকে এ ধরনের অভিযোগ না আসে।’