একেই বলে দুর্ভাগ্য। শেখ মোরসালিন ও রাকিব হোসেন পরিষ্কার গোলের সুযোগ পেয়েও জাল কাঁপাতে পারেননি। সুযোগ হারিয়ে ফিফা র্যাঙ্কিয়ে ৩২ ধাপ এগিয়ে থাকা আফগানিস্তানের বিপক্ষে ম্যাচ ড্র করে মাঠ ছাড়তে হয়েছে। ফিফা প্রীতি ম্যাচে কাল বৃহস্পতিবার আফগানিস্তানের বিপক্ষে আরও একটি লড়াই। বসুন্ধরা কিংস অ্যারেনায় বিকাল ৫টার ম্যাচটিতে এবার গোল খরা কাটানোর মিশন বাংলাদেশের।
গত রবিবার তিনটি সুযোগের একটিরও যদি লক্ষ্যভেদ হতো তাহলে ৪৪ বছর পর আফগানদের বিপক্ষে জয়ের আক্ষেপটা মিটে যেত লাল-সবুজদের। তাই গত দুই দিনের অনুশীলনে বেশি জোর দেওয়া হয়েছে ফিনিশিংয়ে।
বর্তমান দলে আফগানদের দলে নতুন চার খেলোয়াড় যোগ দিয়েছেন। তাই দলটা আগের চেয়ে বেশ শক্তিশালী। প্রথম ম্যাচ গোলশূন্য ড্র হওয়ায় সেই ম্যাচের ফল নিয়ে অসন্তুষ্ট ছিলেন না বাংলাদেশ কোচ হাভিয়ের কাবরেরা। এখন বাংলাদেশ দলের স্প্যানিশ কোচের মনোযোগ কালকের ম্যাচের দিকে, ‘আমরা তিনটি সুযোগ নষ্ট করেছি। তিনটি সুযোগও কিন্তু তৈরি করেছি। ভালো খেলেছি, কোনও গোল খাইনি। ৯০ মিনিট ভালো খেলে আমাদের শুধু গোলটাই হয়নি। কাল সেরা খেলাটাই খেলবো। এবার আশা করছি একটা সুযোগ অন্তত গোলে রূপান্তরিত হবে।’
কোচের কথার পুনরাবৃত্তি করলেন অধিনায়ক জামাল ভূঁইয়াও। সুযোগ পেলে গোল করার দিকেই জোর বাংলাদেশ অধিনায়কের, ‘আফগানিস্তান ভেবেছিল ওরা প্রথম ম্যাচ জিতবে। ওরাও হতাশ, আমরাও হতাশ। কালকের ম্যাচটা ৫০-৫০ হবে। তবে যে সুযোগ পাবো, সেটা কাজে লাগাতে হবে।’
বাংলাদেশের ম্যাচে কৌশল পাল্টানোর কোনও প্রয়োজন দেখছেন না কাবরেরা। আগের একাদশ থাকারই সম্ভাবনা রয়েছে। প্রথম ম্যাচে চোট নিয়ে মাঠ ছেড়েছিলেন ডিফেন্ডার তারিক কাজী ও মিডফিল্ডার মোহাম্মদ হৃদয়। তারা ঠিক আছেন বলে জানিয়েছেন কোচ, ‘হৃদয়-তারিক দুজনেই সুস্থ আছে। তবে একাদশ এখনও ঠিক করিনি। সকালে ঘুম থেকে ওঠার পর কে কতটা সুস্থবোধ করে সেটা বিবেচনা করেই একাদশ ঠিক করবো। তবে আমার মতে পরিবর্তনের খুব বেশি দরকার নেই। এর চেয়ে বরং যেভাবে খেলছি সেটা ধরে রাখা দরকার।’
আফগানিস্তানের কুয়েতি কোচ আব্দুল্লাহ আল মুতাইরি দলে নতুন খেলোয়াড় যোগ দেওয়ায় ভীষণ খুশি। তার কথা, ‘যারাই খেলবেন তাদের সর্বশক্তি দিয়ে খেলতে হবে। আমরা মাঠে সেরাটা দিতে চাই। আশা করছি খেলোয়াড়রা ভালো খেলবে।’