আপাতত ‘বিশ্রামে’ দেশের সর্বোচ্চ ডিগ্রিধারী দুই কোচ

দেশের ফুটবলে সর্বোচ্চ ডিগ্রিধারী দুই কোচের মধ্যে মারুফুল হক ও জুলফিকার মাহমুদ মিন্টু অন্যতম। এএফসি প্রো লাইসেন্স কোর্স করেছেন দু’জনই। তবে সর্বোচ্চ ডিগ্রিধারী হয়েও কাল থেকে শুরু হতে যাওয়া নতুন মৌসুমে একঅর্থে কোচিংয়ের বাইরে থাকতে হচ্ছে তাদের! আপাতত ‘বিশ্রাম’ নিয়েছেন দু’জন।

২০০৮ থেকে টানা ৬টি ক্লাবে কোচিং করিয়ে ১১টি শিরোপা জিতেছেন মারুফুল হক। রানার্সআপ হয়েছেন ৬বার। গত মৌসুমের মাঝ পথেই বিশ্রামের কথা বলেছিলেন। হয়তো ভালো প্রস্তাব পেলে কোচিং করানোর সুযোগ ছিল। সেটি হয়নি। তবে ফুটবল থেকে একদম দূরে সরে যাচ্ছেন না মারুফুল। চট্টগ্রাম আবাহনীর উপদেষ্টা কোচ হয়ে কিছু দিক-নির্দেশনা দেবেন। সংবাদ মাধ্যমকে তিনি বিশ্রাম নেওয়ার কারণ হিসেবে বলেছেন, ‘টানা ১৫ বছর ধরে কোচিং করাচ্ছি। একটা বিরতি নেওয়ার দরকার ছিল। সেটাই আসলে মূল কারণ। তাছাড়া এখন পরিবেশটা কেমন যেন হয়ে গেছে। সব কিছু মিলিয়ে খাপ খাওয়ানো কঠিন। তবে ওই রকম কোনও প্রস্তাব থাকলে বিবেচনা করা যেত।’

জাতীয় দলের সাবেক উইঙ্গার জুলফিকার মাহমুদ মিন্টুও দীর্ঘদিন সহকারী কোচ হয়ে কাজ করে যাচ্ছিলেন। শেষের দিকে কয়েক মৌসুম হেড কোচ হয়ে দিক-নির্দেশনা দিয়ে যাচ্ছেন। গত মৌসুমে শেখ রাসেলের হয়ে ডাগ আউটে ভালোও করছিলেন। স্বাধীনতা কাপে বসুন্ধরার বিপক্ষে লড়াই করে টাইব্রেকারে হেরে রানার্সআপ হয়েছে তার দল।

এবার এই দলটির হয়ে ডাগ আউটে থাকার সুযোগ থাকলেও ক্যারিয়ারে বিরতি টানার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন মিন্টু। বাংলা ট্রিবিউনকে ৪৫ বছর বয়সী কোচ বলেছেন, ‘সুযোগ ছিল তারপরও নতুন মৌসুমে কোচিং না করানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছি। মাঝে মধ্যে ক্যারিয়ারে বিরতি প্রয়োজন। তাই এই মৌসুমে কোচিং করাচ্ছি না।’

আপাতত বিশ্রাম নিলেও সামনের দিকে বিরতি বা বিশ্রাম শেষে মাঠে ফেরার ইঙ্গিতটাও দিয়ে রেখেছেন দু’জন।