দক্ষিণ এশীয় ফুটবলের মহারণ ‘সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ’-এর তারিখ ও ভেন্যু অবশেষে আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত করা হয়েছে। দীর্ঘ ৮ বছর পর আবারও দক্ষিণ এশিয়ার শ্রেষ্ঠত্বের এই আসর ফিরছে বাংলাদেশে। আগামী ৪ নভেম্বর থেকে ১৭ নভেম্বর পর্যন্ত ঐতিহ্যবাহী এই টুর্নামেন্টটি ঢাকার মাটিতে অনুষ্ঠিত হবে।
দক্ষিণ এশীয় ফুটবল ফেডারেশনের (সাফ) আওতাধীন সবকটি সদস্য অ্যাসোসিয়েশনই এই অঞ্চলের শীর্ষস্থানীয় ফুটবল প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করবে বলে আশা প্রকাশ করা হচ্ছে।
নভেম্বরের মূল টুর্নামেন্টকে সামনে রেখে ইতিমধ্যেই প্রশাসনিক কর্মকাণ্ড শুরু হয়ে গেছে। প্রস্তুতির অংশ হিসেবে আগামী ২৫ জুলাই ঢাকায় এক জাকজমকপূর্ণ আয়োজনের মাধ্যমে সাফের অফিশিয়াল লোগো উন্মোচন করা হবে। এরপর আগামী ১ আগস্ট ভুটানের রাজধানী থিম্পুতে অনুষ্ঠিত হবে টুর্নামেন্টের বহুল প্রতীক্ষিত অফিশিয়াল ড্র অনুষ্ঠান, যেখানে নির্ধারিত হবে দলগুলোর গ্রুপ ও প্রতিপক্ষ।
সাফ চ্যাম্পিয়নশিপের তারিখ ও ভেন্যু ঘোষণা নিয়ে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছেন সাফের সাধারণ সম্পাদক পুরুষোত্তম কাট্টেল। এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, “আমরা সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ ২০২৬-এর তারিখ ও ভেন্যু ঘোষণা করতে পেরে অত্যন্ত আনন্দিত। এই টুর্নামেন্টটি আমাদের হৃদয়ে এক বিশেষ স্থান দখল করে আছে, যা বছরের পর বছর ধরে এই অঞ্চলের ফুটবলপ্রেমীদের অসংখ্য স্মরণীয় মুহূর্ত উপহার দিয়েছে। ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬ মাত্র শেষ হওয়ায়, এই ঘোষণাটি দক্ষিণ এশিয়ার ফুটবল অনুরাগী ও সমর্থকদের জন্য এক অত্যন্ত রোমাঞ্চকর সময়ে এসেছে।”
বাংলাদেশে ফুটবলের বর্তমান জোয়ার নিয়ে কথা বলতে গিয়ে তিনি আরও যোগ করেন, “বাংলাদেশে ফুটবলের প্রতি দ্রুত বৃদ্ধি পাওয়া আগ্রহের বিষয়টি মাথায় রাখলে আয়োজক হিসেবে তাদের নাম নিশ্চিত হওয়াটা দারুণ এক খবর। আমরা আশা করি বাংলাদেশ একটি জাঁকজমকপূর্ণ ও সফল টুর্নামেন্ট উপহার দেবে, যা খেলোয়াড় এবং দর্শকদের মনে দীর্ঘস্থায়ী ছাপ ফেলবে। আগামী সপ্তাহ ও মাসগুলোতে আমরা টুর্নামেন্ট সম্পর্কিত বিভিন্ন কার্যক্রম ও আপডেট প্রকাশ করবো।”
২০২৬ সালের এই আসরটি হতে যাচ্ছে সাফ চ্যাম্পিয়নশিপের ১৫তম সংস্করণ। এর আগে সর্বশেষ ২০১৮ সালে বাংলাদেশে সাফের আসর বসেছিল। দীর্ঘ ৮ বছর পর দক্ষিণ এশিয়ার ফ্ল্যাগশিপ এই ফুটবল টুর্নামেন্ট ঘরের মাঠে ফেরায় দেশের ফুটবল অঙ্গন ও সমর্থকদের মাঝে ব্যাপক উৎসাহ- উদ্দীপনা দেখা দিয়েছে।









