দুই ব্রাজিলিয়ানে চট্টগ্রাম আবাহনীকে ধসিয়ে দিয়েছে কিংস

শুরুতে গোল করে বসুন্ধরা কিংস এগিয়ে গেলেও অল্প সময়ের ব্যবধানে চট্টগ্রাম আবাহনী সমতায় ফিরে দারুণ প্রতিদ্বন্দ্বিতার  ইঙ্গিত দেয়। তবে কিংস বাকি সময় ছিল অপ্রতিরোধ্য। একচেটিয়া দাপট দেখিয়ে রাকিব হোসেন ছাড়াও দুই ব্রাজিলিয়ানের নৈপুণ্যে তারা ৪-১ গোলে ধসিয়ে দিয়েছে বন্দরনগরীর দলকে।

প্রিমিয়ার লিগে শুরুর ম্যাচে ব্রাদার্স ইউনিয়নকে ৫-২ গোলে হারিয়ে উড়ন্ত সূচনা করেছিল কিংস। আজ শনিবারও কিংস অ্যারেনাতে দারুণ খেললো অস্কার ব্রুজনের দল।

ম্যাচ শুরুর ২ মিনিটে কিংস এগিয়ে যায়। টুটুল হোসেন বাদশার দারুণ এক ক্রসে দোরিয়েলতন বক্সের ভেতরে জোরালো হেডে দূরের পোস্ট দিয়ে জড়িয়ে দেন জালে।

চট্টগ্রাম আবাহনী ৮ মিনিট পর সমতায় ফেরে। বক্সের ভেতরে সতীর্থের পাসে আবু আজিজ কোনাকুনি জোরালো শটে গোলকিপার মেহেদী হাসান শ্রাবনকে পরাস্ত করেন।

২৮ মিনিটে কিংস দারুণ এক ফিনিশিংয়ে আবার এগিয়ে যায়। মধ্যমাঠ থেকে রবিনহোর থ্রু থেকে রাকিব বাঁ প্রান্ত দিয়ে বক্সে ঢুকে দারুণ কোনাকুনি শটে গোলকিপারকে হারিয়ে দেন। লক্ষ্যে শট নেওয়ার সময় রাকিবের সঙ্গে ডিফেন্ডার রাজন মিয়া লেগে থাকলেও আটকাতে পারেননি। 

৪০ মিনিটে কিংস ৩-১ গোলে এগিয়ে যায়। রফিকুল ইসলামের কাটব্যাক থেকে দোরিয়েলতন ডিফেন্ডারদের সঙ্গে থেকে প্লেসিং করে পোস্ট খুঁজে নেন।    

বিরতির পর চতুর্থ গোল পেতে কিংসকে অনেক সময় অপেক্ষা করতে হয়েছে। এই সময়ে রবিনহো ও দোরিয়েলতন সুযোগ পেয়েও পারেননি গোল ব্যবধান বাড়াতে।    

তবে ৮৬ মিনিটে কিংস চতুর্থ ও শেষ গোল পায়। বদলি মাশুক মিয়া জনিকে ফেলে দেন এক ডিফেন্ডার। রেফারি স্পট কিকের বাঁশি বাজালে রবিনহো সহজেই জোরালো শটে লক্ষ্যভেদ করেন। তাতেই ম্যাচে চট্টগ্রাম আবাহনীর বড় হার নিশ্চিত হয়।

শেষের দিকে সাদ উদ্দিনের জায়গায় এক মৌসুম পর চোট কাটিয়ে মাঠে নামেন বিপলু আহমেদ। তবে ম্যাচের স্কোরলাইনে কোনও পরিবর্তন আসেনি।