সতীর্থের সঙ্গে মারামারি করে আঙুল ভেঙেছিল সনের

তারুণ্য আর অভিজ্ঞতার মিশেলে এবারের এশিয়ান কাপে ফেভারিট হিসেবে অংশ নিয়েছিল দক্ষিণ কোরিয়া। সন হিউং মিনের নেতৃত্বে সেমিফাইনালে উঠেছিল তারা। কিন্তু সেমিফাইনালে আন্ডারডগ জর্ডানের কাছে হেরে যায় তারা। ওই অঘটনের এক সপ্তাহ পর জানা গেলো, আগের রাতে সতীর্থের সঙ্গে মারামারিতে জড়িয়ে পড়েছিলেন সন। আঙুলও ভেঙে যায় তার। জর্ডানের বিপক্ষে আঙুলে ব্যান্ডেজ পরে খেলতে দেখা গিয়েছিল তাকে।

ওই রাতে ডিনারে একসঙ্গে বসে খেলোয়াড়দের সঙ্গে কথা বলতে চেয়েছিলেন সন। কিন্তু তরুণ খেলোয়াড়রা আগেভাগে ডিনার শেষ করে টেবিল টেনিস খেলতে যান পাশের রুমে। দক্ষিণ কোরিয়ান অধিনায়কের কাছে বিষয়টা ভালো লাগেনি। ঝগড়া বেঁধে যায় তাদের সঙ্গে। সতীর্থ লি কাং-ইনের জামার কলার চেপে ধরেন সন। লিও তাকে ঘুষি মারতে চেয়েছিলেন। কোনোভাবে নিজেকে বাঁচান টটেনহ্যাম হটস্পার তারকা। তাদের দুজনকে অন্যরা আলাদা করতে গেলে ধস্তাধস্তিতে আঙুল ভেঙে যায় সনের।

কোরিয়ান গণমাধ্যম ইয়োনহাপ দেশটির ফুটবল সংস্থার এক মুখপাত্রের উদ্ধৃতি দিয়ে লিখেছে, ‘যখন কয়েকজন তরুণ খেলোয়াড় টেবিল টেনিস খেলতে গিয়েছিল এবং সন হিউং-মিন ও অন্য সিনিয়র খেলোয়াড়রা এটা নিয়ে কিছু একটা বলছিল, তখন এটা ঘটে। খেলোয়াড়দের মধ্যে ঝগড়া বাঁধার পর সন আঙুলে আঘাত পায়।’

লি এই ঘটনায় ক্ষমা চেয়েছেন ইনস্টাগ্রামে পোস্ট দিয়ে, ‘রিপোর্ট হয়েছে যে আমি সন হিউং-মিনের সঙ্গে সেমিফাইনালের আগে তর্কাতর্কি করেছিলাম। ফুটবল ভক্তদের জন্য আমরা খুব হতাশ, যারা সবসময় আমাদের জাতীয় দলকে সমর্থন দিয়েছে। আমি খুব দুঃখিত। আমার উচিত ছিল ভাইদের কথা মানা। কিন্তু আমি দুঃখিত যে, ফুটবল ভক্তদের কাছে খারাপ দিকটা দেখিয়েছি। আপনাদের কাছে আমি ক্ষমা চাই। এখন থেকে ভালো খেলোয়াড় ও মানুষ হওয়ার জন্য বড় ভাইদের সাহায্য করার চেষ্টা করবো।’