এএফসি অনূর্ধ্ব-২৩ বাছাইয়ে ইয়েমেনের বিপক্ষে ভালোই লড়াই করছিল বাংলাদেশ। কিন্তু শেষ দিকে এসে হয়েছে ছন্দপতন। ১০ জনের দলে পরিণত হওয়ার পর ম্যাচ শেষ হওয়ার ৩০ সেকেন্ড আগে গোল হজম করে হারতে হয়েছে। ১-০ ব্যবধানে হারায় বাংলাদেশের চূড়ান্ত পর্বের আশাও মিইয়ে গেছে। টানা দুই ম্যাচ হেরেছে মোরসালিনরা। এখন শেষ ম্যাচে সিঙ্গাপুরের বিপক্ষে খেলতে হবে।
ভিয়েতনামে শনিবার শুরুর দিকে ফাউল করে খেলার প্রবণতা দেখা গেছে জনি-ফাহামিদুলদের। এসময় কোচ হাসান আল মামুনকে তো শিষ্যদের মাথা ঠাণ্ডা করে খেলার পরামর্শ দিতে শোনা গেছে। যাই হোক ইয়েমেন আক্রমণে এগিয়ে থাকলেও গোল পেতে অনেক সময় লেগেছে। বাংলাদেশ বিল্ডআপে খেলার চেষ্টা করেছে। কিন্তু সফল হতে পারেনি।
৬ মিনিটে মামদো সালেহর হেড ক্রসবারে লেগে ফিরে আসে। প্রথমার্ধের শেষ যোগ করা সময়ে ইয়েমেনের একজনের ফ্রি কিক ক্রস বারের ওপর দিয়ে গেছে। বিরতির পর ৬৬ মিনিটে বাংলাদেশের রাজু আহমেদ জিসান শটও ক্রস বারের ওপর দিয়ে যায়। ৭৭ মিনিটে আব্দুলাজিজের বক্সের বাইরে থেকে নেওয়া শট হয় লক্ষ্যভ্রষ্ট।
৮৭ মিনিটে বাংলাদেশ ১০ জনের দলে পরিণত। বক্সের বাইরে পা চালাতে গিয়ে প্রতিপক্ষের শরীরে আঘাত হানেন মজিবর রহমান জনি। রেফারি সঙ্গে সঙ্গে লাল কার্ড দেখাতে কার্পণ্য করেননি। তার পর ফ্রি কিক থেকে ইয়েমেনের নেওয়া শট গোলকিপার শ্রাবন ডান দিকে ঝাঁপিয়ে পড়ে রুখে দেন। একটু পর আরও একটি প্রচেষ্টা নস্যাৎ করেছেন তিনি। কিন্তু যোগ করা সময়ের একদম শেষ দিকে বদলি মোহামেদ ইসাম গোলে স্বপ্ন ভঙ্গ হয় বাংলাদেশের।