এশিয়ান কাপ বাছাইয়ে হংকংয়ের বিপক্ষে বাংলাদেশ দলের প্রস্তুতি শুরু হয়েছে। তবে ঝড়-বৃষ্টির কারণে মাঠের অনুশীলন ঠিকঠাক হলে তো? এরই ফাঁকে জাতীয় দলের গোলকিপার মিতুল মারমা নিজ দল ছাড়াও খাগড়াছড়িতে সৃষ্ট ঘটনা নিয়ে কথা বলেছেন।
পাহাড়ে অস্থিরতা নিয়ে মিতুল শুরুতে ঢাকার জাতীয় স্টেডিয়ামে সংবাদমাধ্যমকে বলেছেন, ‘শুধু পাহাড় না, যে ঘটনাটা ঘটেছে এই বিষয়টা নিয়ে লিখেছিলাম। আসলে শুধু পাহাড়ে নয়, বাংলাদেশের কোনও জায়গায় এমনটা হওয়া উচিত না। যার কারণে স্ট্যাটাস দেওয়া। আমরা সবাই বাংলাদেশি, এখন আমি বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করার জন্য এখানে এসেছি। আমি মনে করি পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে দেশের জন্য ভালো, সবার জন্য ভালো।’
বর্তমান দলে ২৯ জন খেলোয়াড়। প্রতিদ্বন্দ্বিতাও বেশি। মিতুল চোটের কারণে নেপালের বিপক্ষে খেলতে পারেননি। হংকং ম্যাচে পাখির চোখ রেখেছেন। মিতুল বলেছেন, ‘নেপালের বিপক্ষে যেহেতু খেলতে পারিনি, আমি চাইবো হংকংয়ের বিপক্ষে বাংলাদেশের হয়ে ভালো কিছু করতে। প্রথমত, আমাদের সব পজিশনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা বেশি। এখানে খামখেয়ালিভাবে থাকার কোনও সুযোগ নেই। সবাইকে প্রমাণ করে থাকতে হবে। আমি আমার নিজের সর্বোচ্চটুকু দেবো। হোম ম্যাচ খুবই গুরুত্বপূর্ণ। চেষ্টা করবো দুই ম্যাচই ফল যাতে পক্ষে থাকে।’
এশিয়ান কাপ বাছাইয়ে ম্যাচ দুটি বেশ গুরুত্বপূর্ণ। মিতুল তাই সিরিয়াস, ‘আমাদের এটা গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচ। হাতে যেটুকু সময় আছে, নিজেদের ঝালিয়ে নিয়ে সেরাটা দিতে চাই। সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হচ্ছে কোয়ালিফাই করতে হলে আমাদের এ দুটো ম্যাচ খুবই গুরুত্বপূর্ণ। কোন দল র্যাঙ্কিংয়ে কত নম্বরে আছে, সেটা দেখতে চাচ্ছি না। আমাদের মূল ফোকাস হচ্ছে যেভাবেই হোক জিততে হবে।’
মিডফিল্ডার সোহেল রানা ঘরের মাঠে ম্যাচ জিততে চান। তার কথা, ‘আমরা ফল উপহার দিতে পারি দেশকে। কোচ এটা নিয়ে কাজ করছেন। হংকংয়ের ম্যাচটা চাইবো ঘরের মাঠে যেন জিততে পারি। এটা অবশ্যই খেলোয়াড়দের বাড়তি প্রেরণা দেবে। সমর্থকরা যেভাবে আমাদের সমর্থন করেন মাঠে এসে, তাই আমরা চাইবো ম্যাচটা জিততে। কোয়ালিফাই করতে হলে এই ম্যাচটা অনেক গুরুত্বপূর্ণ। যেভাবেই হোক জিততে হবে। এটাই আমাদের প্রথম ফোকাস।’
সোহেল রানার বিশ্বাস বাংলাদেশ দল হংকং ম্যাচে জিততে সক্ষম, ‘হংকংয়ের বিপক্ষে যে কাজগুলো করতে হবে, সেগুলো যদি সঠিকভাবে না করতে পারি, তাহলে আমাদের জন্য কঠিন হয়ে পড়বে। আমরা বিশ্বাস করি, হংকংয়ের বিপক্ষে আমরা জেতার মতো দল। এই আত্মবিশ্বাস আমাদের আছে।’