‘এই প্রবাসী খেলোয়াড় শব্দটা ব্যবহার করতে চাই না’

সাফ অনূর্ধ-২০ টুর্নামেন্টে আবারও  চ্যাম্পিয়ন হয়েছে বাংলাদেশ। সামনেই রয়েছে এএফসি অনূর্ধ্ব ২০-এর বাছাই। বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের (বাফুফে) ডেভেলপমেন্ট কমিটি সাফল্য ধরে রাখতে বাছাইয়ের প্রস্তুতি আগের মতো পুরোদস্তুর করার পাশাপাশি স্বাগতিকও হতে চাইছে। আজ এ নিয়ে ব্যাখ্যাও দিয়েছে তারা। সেখানে ছিল প্রবাসী ফুটবলারদের প্রসঙ্গও। 

ব্রিটিশ কোচ মার্ক কক্সের নিয়োগ নিয়ে প্রশ্ন ছিল অনেক। তাই এবার কোচ নিয়োগে আরও বেশি সতর্ক অবস্থানে বাফুফে। ডেভেলপমেন্ট কমিটির চেয়ারম্যান নাসের শাহরিয়ার জাহেদী সভা শেষে সাংবাদিকদের বলেছেন, ‘যারা বাংলাদেশে তরুণ পর্যায়ে কোচিং করাতে আগ্রহী, তারা আবেদন করবে। সেখান থেকে আমাদের যাদের পছন্দ হয়, তাদের চূড়ান্ত করবো। তবে সবকিছুই প্রক্রিয়ার মাধ্যমে।’

বিদেশি কোচের পাশাপাশি বিদেশে খেলানোর পরিকল্পনাও রয়েছে ডেভেলপমেন্ট কমিটির, ‘এএফসি অনূর্ধ্ব-২০ টুর্নামেন্টের আগে আমাদের অন্তত তিনটি প্রস্তুতি ম্যাচ খেলানোর পরিকল্পনা রয়েছে। তেমনি এএফসি অনূর্ধ্ব-১৭ টুর্নামেন্টের আগে ইউরোপে একাডেমি কাপ টুর্নামেন্টগুলোতে আমাদের দলকে পাঠানো হবে। যেখান থেকে অভিজ্ঞতা ও যোগ্যতা অর্জন হতে পারে।’

বাফুফের ডেভেলপমেন্ট কমিটির চেয়ারম্যান ও অন্যতম সহ-সভাপতি নাসের শাহরিয়ার জাহেদী জানিয়েছেন, ‘আমরা এএফসি অনূর্ধ্ব-২০ টুর্নামেন্টকে নিয়ে গুরুত্ব দিচ্ছি। সেই টুর্নামেন্টে চূড়ান্ত পর্বে খেলতে চাই। এজন্য অন্তত ছয় সপ্তাহের ট্রেনিং করবো। সেটা পুরোপুরি ঢাকায় কিংবা যশোরে চার আর ঢাকায় দুই সপ্তাহ এমনও হতে পারে।’

এই টুর্নামেন্টের জন্য বাফুফে ঢাকা জাতীয় স্টেডিয়াম ও বসুন্ধরা কিংস অ্যারেনার দু’টি নিয়ে এএফসির কাছে আবেদন করেছে। এএফসি অনূর্ধ্ব-২০ এশিয়ান কাপ বাছাই প্রতিযোগিতা চলবে ২৫ আগস্ট থেকে ৬ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত। এ সময় প্রবাসী ফুটবলার খেলানোর বিষয়ে বাফুফের  সহ-সভাপতি এক প্রশ্নের উত্তরে বলেন, ‘আমি আগাগোড়া একটা কথা বলি। এই প্রবাসী খেলোয়াড় শব্দটা আমি ব্যবহার করতে চাই না। কারণ অধিনায়ক মিঠু বলেছে, আমাদের টিমে যখন ওরা খেলে একসাথে বসে আড্ডা মারে ও গল্প করে। ডেক্লান এত সুন্দর গান গায়... রোনান অনেক জোকস করে। তো ওরা কিন্তু দেশি প্রবাসী ভেদাভেদ করছে না। আপনারা মেহেরবানি করে এই প্রবাসী খেলোয়াড় বলবেন না। এটা বংশোদ্ভূত খেলোয়াড় বলতে পারি আমরা। হয়তো তারা এখানে বাস করছে না।’