প্রথমার্ধ শেষে ৩-১ গোলে এগিয়ে জার্মানি

সর্বশেষ দুই আসরে গ্রুপ পর্বই পার হতে পারেনি জার্মানি। এবার সেই হতাশা পেছনে ফেলার লক্ষ্যে গ্রুপ ই-তে খেলতে নেমেছে তারা। গ্রুপ ফেবারিটরা মুখোমুখি হয়েছে পুঁচকে কুরাসাওর। ৬ মিনিটে গোল করে জার্মানি আধিপত্যের জানান দিলেও ২১ মিনিটে সমতা ফিরিয়ে কুরাসাও জানান দেয় হেলাফেলার দল নয় তারা। বল দখলে আর আক্রমণে জার্মানি অনেক এগিয়ে থাকলেও সুযোগগুলো কাজে লাগাতে পারেনি। শেষ দিকে এসে অবশ্য আরও দুই গোল করে ৩-১ গোলে এগিয়ে থাকার স্বস্তি নিয়েই প্রথমার্ধ শেষ করেছে। 

শুরু থেকে আক্রমণাত্মক খেলতে থাকা জার্মানি ষষ্ঠ মিনিটে ফেলিক্স এনমেচার গোলে এগিয়ে যায়। দুর্দান্ত সেই গোলে অ্যাসিস্ট করেছেন ফ্লোরিয়ান ভির্টজ। 

শুরুর গোলের আগে মুসিয়ালার শট ব্লকড করেছিলেন কুরাসাও গোলকিপার। তার পর ভির্টচের ছোট পাস পথে পড়লে ডান প্রান্তে দর্শনীয় শটে জাল কাঁপান এনমেচা। তাতে কীর্তিও গড়েছেন তিনি। বিশ্বকাপ অভিষেকে গোলের দেখা পেয়েছেন। সর্বশেষ ২০১৪ বিশ্বকাপে অভিষেকে গোলের কীর্তি গড়েছিলেন ম্যাটস হামেলস। 

প্রথম গোলের পর থেকে বার বার আক্রমণ শাণিয়ে গেছে জার্মানি। ফলে শুরুর দিকে চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের আক্রমণ সামলাতেই ব্যস্ত থাকতে হচ্ছে দেড় লাখ জন সংখ্যার ছোট্ট দেশটিকে। যারা এবারই বিশ্বকাপ অভিষেক করেছে। তবে ২১ মিনিটে একটি গোল শোধও দিয়ে জার্মানিকে স্তব্ধ করে দিয়েছে তারা। গোলটি এসেছে দারুণ আক্রমণ থেকে। প্রথমে লোকাদিয়ার শট রুখে দেন প্রতিপক্ষের ডিফেন্ডার। তখন বলটি গিয়ে পড়ে কোমেনেনসিয়ার কাছে। বাঁ পায়ের জোরালো শটটি কিমিখের গায়ে লেগে দিক পরিবর্তন করে ম্যানুয়েল নয়ারকে ফাঁকি দিয়ে জালে জড়ায়। যার মধ্য দিয়ে বিশ্বকাপে নিজেদের ইতিহাসের প্রথম গোলের দেখা পায় কুরাসাও। তাতে স্কোর লাইনে চলে আসে সমতাও (১-১)!

২১ মিনিটে গোল হজমের পর ছন্দ হারিয়ে ফেলেছিল জার্মানরা। ৩৮ মিনিটে আবারও ম্যাচে ফেরে শ্লটারবেকের দুর্দান্ত এক হেডে। শুরুতে ব্রাউন কর্নার করেছিলেন। তার পর আনমার্কড শ্লটারবেক হেড করে জালে পাঠান বল। তাতে স্কোর লাইন দাঁড়ায় ২-১।     

৪৫+৩ মিনিটে স্কোর ৩-১ করে ফেলে জার্মানি। বক্সে মিডফিল্ডার এনমেচাকে ফেলে দেন কুরাসাওর একজন খেলোয়াড়। তাতে পেনাল্টি পায় জার্মানি। স্পট কিক থেকে গোল করে জার্মানিকে ৩-১ গোলে এগিয়ে দেন হাভার্টজ।