বিশ্বকাপে নকআউট পর্বের টিকিট নিশ্চিত করার লক্ষ্য নিয়ে আজ সোমবার রাত ৩টায় সোমবার ফিলাডেলফিয়ায় ইরাকের মুখোমুখি হবে ফ্রান্স। বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচে জয় দিয়ে শুরু করা দিদিয়ের দেশমের দল আরেকটি জয় পেলে শেষ ৩২ নিশ্চিত করবে।
সেনেগালের বিপক্ষে প্রথম ম্যাচে ৩-১ গোলের জয় পেয়েছিল ফ্রান্স। যদিও গোলশূন্য প্রথমার্ধে নিজেদের সেরা খেলাটা খেলতে পারেনি তারা। কিন্তু বিরতির পর পুরোপুরি বদলে যায় দৃশ্যপট। অধিনায়ক কিলিয়ান এমবাপ্পের নেতৃত্বে দুর্দান্ত আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলে তিনটি চমৎকার গোল করে জয় নিশ্চিত করে সাবেক বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা।
অপর দিকে, বিশ্ব র্যাঙ্কিংয়ের ৫৭ নম্বরে থাকা ইরাক ১৯৮৬ সালের পর এবারই প্রথম বিশ্বকাপে খেলছে। তবে যুক্তরাষ্ট্রে তাদের বিশ্বকাপ অভিযান সুখকরভাবে হয়নি। বোস্টনে নরওয়ের কাছে ৪-১ গোলের হারের ম্যাচে আর্লিং হাল্যান্ডদের আক্রমণ সামলাতে ভুগতে হয়েছে। এখন ফ্রান্সের বিপক্ষেও হারলে শেষ ম্যাচে সেনেগালের বিপক্ষে তাদের সামনে কঠিন সমীকরণ অপেক্ষা করবে। সেক্ষেত্রে নকআউটে ওঠার আশা বাঁচিয়ে রাখতে শেষ ম্যাচে বড় কিছু করতে হবে মধ্যপ্রাচ্যের দলটিকে।
প্রথম ম্যাচে নরওয়ের বিপক্ষে গতি ও শারীরিক শক্তির কাছে পিছিয়ে পড়েছিল ইরাক। এবার তাদের সামনে আরও বড় পরীক্ষা। কারণ ফ্রান্স শুধু গতিময় ফুটবলই খেলে না, আক্রমণে বৈচিত্র্য ও নিখুঁত সমন্বয়েরও পরিচয় দেয়।
ফ্রান্সের তারকাবহুল আক্রমণভাগ মোকাবিলার পরিকল্পনা নিয়ে জানতে চাইলে ইরাকের কোচ গ্রাহাম আর্নল্ড মজার ছলে বলেছেন, ‘আমি জানতে চেয়েছিলাম তিনজন গোলরক্ষক নিয়ে খেলতে পারবো কি না, কিন্তু তারা অনুমতি দেয়নি।’
এরপর তিনি বলেন, ‘তাদের দলে অসাধারণ কিছু খেলোয়াড় আছে। তাদের বিপক্ষে খেলাটা আমাদের জন্য সম্মানের। তবে আমরা নিজেদের খেলা এবং নিজেদের পারফরম্যান্স নিয়েই বেশি মনোযোগী। আমাদের পুরোপুরি প্রস্তুত থাকবে, যাতে তারা মাঠে নেমে বিশ্বকে দেখাতে পারে তারা আসলে কী করতে সক্ষম।’