৯০’র আর্জেন্টিনার আলোচিত গয়কোচিয়ার সঙ্গে কিছুক্ষণ...

বিশ্বকাপ ফুটবলের প্রতিটি আসরেই সাবেক তারকা ফুটবলারদের দেখা মেলে বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের হয়ে ধারাভাষ্য দিতে কিংবা বিশ্লেষণধর্মী লেখা লিখতে। উত্তর আমেরিকায় অনুষ্ঠিত ২০২৬ বিশ্বকাপেও তার ব্যতিক্রম নয়। যুক্তরাষ্ট্রের ডালাসে আজ রবিবার প্রেসবক্সের লিফটে ওঠার আগে হঠাৎই দেখা হয়ে গেলো ১৯৯০ বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনার আলোচিত গোলরক্ষক সের্হিও গয়কোচিয়ার সঙ্গে। পরিচয় দিয়ে কথা বলতে যেতেই ম্যারাডোনা ও মেসিকে নিয়ে নিজের অনুভূতির কথা জানালেন তিনি।

সের্হিও গয়কোচিয়া।গয়কোচিয়া আর্জেন্টিনার সর্বকালের অন্যতম সেরা গোলরক্ষক। ১৯৯০ সালের ইতালি বিশ্বকাপে পেনাল্টি ঠেকিয়ে দলকে ফাইনালে তোলার নায়ক হিসেবে বিশ্বজুড়ে কিংবদন্তির মর্যাদা পেয়েছেন তিনি। যদিও সেই বিশ্বকাপে মূল গোলরক্ষক নেরি পাম্পিদো চোটে পড়ার পরই সুযোগ আসে তার সামনে। সেই সুযোগ কাজে লাগিয়ে পেনাল্টি শুটআউটে যুগোস্লাভিয়া ও স্বাগতিক ইতালির বিপক্ষে অবিস্মরণীয় পারফরম্যান্স উপহার দেন। তার হাত ধরেই আর্জেন্টিনা পৌঁছে যায় বিশ্বকাপের ফাইনালে।

৬২ বছর বয়সী গয়কোচিয়াকে জানানো হয়, বাংলাদেশেও আর্জেন্টিনার অসংখ্য ভক্ত-সমর্থক রয়েছেন। শুনে হাসিমুখে তিনি বলেন, ‘আমি জানি বাংলাদেশে আমাদের অনেক ভক্ত আছে। এটা আনন্দের। আমাদের জন্য ভালো।’

১৯৮৬ সালে ডিয়েগো ম্যারাডোনার নেতৃত্বে বিশ্বকাপ জিতেছিল আর্জেন্টিনা। এরপর ২০২২ সালে সেই ট্রফি ওঠে লিওনেল মেসির হাতে। বাংলাদেশের মানুষ এই দুই বিশ্বজয়ী অধিনায়কেরই অসম্ভব ভক্ত। এ প্রসঙ্গে গয়কোচিয়া বলেন, ‘বাংলাদেশিরা সবাই ম্যারাডোনা-মেসি ভক্ত। আমারও একই অবস্থা। আসলে ম্যারাডোনা আমার খুব কাছের বন্ধু ছিলেন। আমার কাছে ম্যারাডোনা ফুটবল ঈশ্বর, আর মেসি হলো জাস্ট ইনক্রিডেবল ফুটবলার।’

উত্তর আমেরিকা বিশ্বকাপে কোন দল শিরোপা জিততে পারে, আর্জেন্টিনা কি ট্রফি ধরে রাখতে পারবে—এমন প্রশ্নের জবাব দিতে দিতে লিফটে উঠে পড়েন গয়কোচিয়া। বিদায়বেলায় সংক্ষিপ্ত উত্তর দেন, ‘এই মুহূর্তে আমার পক্ষে বলা কঠিন কে ট্রফি জিতবে। তবে মেসির দল রয়েছে। তাদের সম্ভাবনা রয়েছে।’