বিশ্বকাপ কোয়ার্টার ফাইনালে আর্জেন্টিনা-সুইজারল্যান্ডের নির্ধারিত সময়ের খেলা ১-১ সমতায় শেষ হয়েছে। তাই ম্যাচ গড়িয়েছে অতিরিক্ত সময়ে।
১০ মিনিটে আর্জেন্টিনা অগ্রগামিতা পেয়েছিল। কিন্তু দ্বিতীয়ার্ধে ফিরেই ম্যাচে সমতা ফেরায় সুইজারল্যান্ড।
প্রথমার্ধে সুইজারল্যান্ডের সবচেয়ে বিপজ্জনক খেলোয়াড়দের একজন ছিলেন ডান এনদোয়ে। বিরতির পর সেই তিনিই ৬৭ মিনিটে সমতা ফেরান। পেনাল্টি বক্সের কিনারায় রদ্রিগেজের সঙ্গে ওয়ান-টু পাস খেলে বাইলাইন ঘেঁষে ভেতরে ঢুকে পড়েন তিনি। এরপর কোণ থেকে ডান পায়ের নিখুঁত শটে এমিলিয়ানো মার্টিনেজকে পরাস্ত করে বল জড়ান জালে। আর্জেন্টিনাকে শুরুতে এগিয়ে দিয়েছিলেন অ্যালেক্সিস ম্যাক অ্যালিস্টার।
অবশ্য সমতা ফেরানোর পরই ৭২ মিনিটে দশ জনের দলে পরিণত হয় সুইজারল্যান্ড। প্রথমে ব্রিল এমবোলোর ওপর ফাউলের অভিযোগে লিয়ান্দ্রো পারেদেসের বিরুদ্ধে বাঁশি বাজান রেফারি। তবে ভিএআর পর্যালোচনার পর সেই সিদ্ধান্ত বদলে যায়। রিপ্লেতে দেখা যায়, এমবোলো ফাউলের অভিনয় করেছেন। ফলে পারেদেসের বিরুদ্ধে দেওয়া সিদ্ধান্ত বাতিল করে এমবোলোকেই হলুদ কার্ড দেখান রেফারি। এটি ছিল সুইস ফরোয়ার্ডের ম্যাচে দ্বিতীয় হলুদ কার্ড। ফলে লাল কার্ড দেখে মাঠ ছাড়তে হয় তাকে।
লাল কার্ড দেখে মাঠ ছাড়ার সময় কান্নায় ভেঙে পড়েন ব্রিল এমবোলো। রেফারির সিদ্ধান্ত কিছুতেই মেনে নিতে পারছিলেন না সুইস এই স্ট্রাইকার।
কানসাস সিটি স্টেডিয়ামে শুরুর অর্ধে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ পুরোপুরি নিজেদের দখলে রাখে মেসির দল। ম্যাচের শুরুতে বল দখলে কিছুটা এগিয়ে ছিল সুইজারল্যান্ড। তবে আক্রমণে একাধিক খেলোয়াড় তুলেও আর্জেন্টিনার সুসংগঠিত রক্ষণ ভাঙতে পারেনি। উল্টো ম্যাচের ১০ মিনিটেই নিজেদের ভুলের খেসারত দিতে হয় সুইসদের। বল হারানোর পর পাওয়া কর্নার থেকে লিওনেল মেসির বাড়ানো বলে হেডে জাল খুঁজে নেন অ্যালেক্সিস ম্যাক অ্যালিস্টার। সেটিই ছিল প্রথমার্ধের একমাত্র গোল।