আটলান্টায় বিশ্বকাপের সেমিফাইনালের আগে ঘুরেফিরে সেই ১৯৮৬ বিশ্বকাপের স্মৃতি ফিরে আসছে। স্থানীয় সময় আজ মঙ্গলবারও (১৪ জুলাই) অনুশীলনের আগে আর্জেন্টিনার মিডফিল্ডার ম্যাক অ্যালিস্টারকে সেই ম্যাচ নিয়ে কথা বলতে হলো। মেক্সিকো ৮৬-এর কোয়ার্টার ফাইনালে দিয়েগো ম্যারাডোনার সেই অবিস্মরণীয় কৃতিত্বে দুই গোল করে কার্লোস বিলার্ডোর দল জয় পেয়েছিল। পরে দলটি শিরোপা উৎসবও করে।
আগের দিন রাতে আর্জেন্টিনা আটলান্টায় পৌঁছেছে। ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ফাইনালে ওঠার লড়াইয়ের আগে মঙ্গলবার অনুশীলনের আগে সংবাদমাধ্যমের সঙ্গে আলাপকালে এই ঐতিহাসিক ম্যাচটি সম্পর্কে লিভারপুলের এই মিডফিল্ডার বলেন, ‘ডিয়েগো মাঠে যা করেছিলেন তার থেকে অনুপ্রাণিত হওয়া খুব কঠিন। হয়তো একমাত্র লিও-ই (মেসি) পারবেন তিনি যা করেছিলেন তা মাঠে করে দেখাতে।’
১৯৮৬ সালের ম্যাচটি ফকল্যান্ডস যুদ্ধের চার বছর পর অনুষ্ঠিত হয়েছিল, সেই বিষয়টি উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘আজকাল ৮৬-এর ভিডিওগুলো সামনে আসছে, যা স্পষ্টতই আমাদের সাহায্য করে। এটি দেশের জন্য একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ প্রতীক, এবং আশা করি তারা যা অর্জন করেছিল আমরাও এমন কিছু করতে পারব।’
অন্যদিকে দলে থাকা এনজো ফার্নান্দেজ, ক্রিশ্চিয়ান রোমেরো, লিসান্দ্রো মার্টিনেজ এবং এমিলিয়ানো মার্টিনেজের মতো প্রিমিয়ার লিগে খেলা খেলোয়াড়দের সংখ্যা সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘এটি অনেক অর্থবহ কারণ এটি একটি বিশ্বকাপের সেমিফাইনাল। আমরা সবাই এই ম্যাচটি খেলতে চাই এবং ফাইনালে যেতে চাই। আমরা সবাই খুব গভীরভাবে আর্জেন্টাইন, আমরা আমাদের দেশকে ভালোবাসি এবং আমরা জাতীয় দলকে সম্ভাব্য সেরা উপায়ে প্রতিনিধিত্ব করতে চাই।’
ম্যাক অ্যালিস্টার আরও বলেন, ‘ইংল্যান্ডে খেলাটা আমাদের মতো খেলোয়াড়দের জন্য কী প্রভাব ফেলে, তা আপনারা বুঝতে পারবেন।’
থমাস টুখেলের ইংল্যান্ড দলটিতে নামিদামি তারকাদের সমীহের পাশাপাশি নিজেদের ওপর আস্থার কথাও বললেন তিনি, ‘তাদের দলে অত্যন্ত উঁচু মানের খেলোয়াড় রয়েছে যারা গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচ খেলেছেন। কিন্তু আমাদের একটি সুস্পষ্ট লক্ষ্য আছে, আমরা আমাদের কৌশল পরিবর্তন করব না এবং আমরা একটি ভালো ম্যাচের প্রত্যাশা করছি।’