স্পেনের বিশ্বকাপজয়ী গোলরক্ষক, ‘আমাকে খুব বেশি কাজ করতে হয়নি’ 

বিশ্বকাপে দুর্দান্ত রক্ষণভাগের ওপর ভর করেই শিরোপা জিতেছে স্পেন। ফাইনালেও আর্জেন্টিনাকে কার্যত গোলমুখে নিষ্ক্রিয় রেখে দ্বিতীয়বারের মতো বিশ্বচ্যাম্পিয়ন হয়েছে তারা। এমন দুর্ভেদ্য রক্ষণভাগের সবচেয়ে বড় সাক্ষী গোলরক্ষক উনাই সিমন। যিনি বলেছেন, পুরো টুর্নামেন্টে তাকে তেমন কাজই করতে হয়নি। 

ফাইনালের পর স্পেনের গোলরক্ষক উনাই সিমন বলেছেন, ‘আমাকে অন্য গোলরক্ষকদের মতো খুব বেশি কাজ করতে হয়নি।’

ফাইনালে আর্জেন্টিনা মাত্র দুটি শট নিতে পেরেছিল, তবে একটিও লক্ষ্যে ছিল না। এর আগে পুরো টুর্নামেন্টেও প্রতিপক্ষের আক্রমণ দারুণভাবে সামলে নিয়েছিল স্পেন।

এর আগে ২০১০ সালে বিশ্বকাপজয়ী স্পেন এক আসরে মাত্র দুটি গোল হজম করে রেকর্ড গড়েছিল। এবার সেই কীর্তিকেও ছাড়িয়ে গেছে বর্তমান দলটি। মেটলাইফ স্টেডিয়ামে উপস্থিত থেকে ফাইনাল দেখেছেন ২০১০ সালের বিশ্বজয়ী দলের তারকারা—ইকার ক্যাসিয়াস, জাভি হার্নান্দেজ, আন্দ্রেস ইনিয়েস্তা, কার্লেস পুয়োল ও সার্জিও রামোস।

এবারের আসরে কোয়ার্টার ফাইনালে বেলজিয়ামের বিপক্ষে ২-১ জয়ের ম্যাচেই একমাত্র গোল হজম করে স্পেন। এরপর সেমিফাইনালে কিলিয়ান এমবাপ্পের ফ্রান্স এবং ফাইনালে লিওনেল মেসির আর্জেন্টিনাকে গোলশূন্য রেখেই শিরোপা নিশ্চিত করে তারা।

ফাইনালে আর্জেন্টিনা স্পেনের গোলমুখে মাত্র দুটি শট নিতে পেরেছিল। অতিরিক্ত সময়ে আসে তাদের প্রথম শট অন টার্গেটের চেষ্টা।

দুর্দান্ত পারফরম্যান্সের স্বীকৃতি হিসেবে টুর্নামেন্টের সেরা গোলরক্ষকের গোল্ডেন গ্লাভস জিতেছেন সিমন। অথচ পুরো বিশ্বকাপে তাকে মাত্র ১৪টি সেভ করতে হয়েছে। অন্যদিকে আর্জেন্টিনার গোলরক্ষক এমিলিয়ানো মার্টিনেজ শুধু ফাইনালেই ১১টি সেভ করে নতুন রেকর্ড গড়েছেন।

সিমন বলেছেন, ‘পুরো টুর্নামেন্টে আমি যে গ্লাভসগুলো ব্যবহার করেছি, যদি সেগুলো কথা বলতে পারতো, তাহলে হয়তো বলতো অন্য গোলরক্ষকদের মতো তাদের খুব বেশি পরিশ্রম করতে হয়নি।’