স্পেনের কাছে ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর ফাইনালে হেরে স্বপ্নভঙ্গ হয়েছে আর্জেন্টিনার। সেমিফাইনালে ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে গোল করে নায়ক বনে যাওয়া ২৫ বছর বয়সী এনজো ফার্নান্দেজ ফাইনালে হয়ে ওঠেন খলনায়ক।
ম্যাচের দ্বিতীয়ার্ধের অতিরিক্ত সময়ের তৃতীয় মিনিটে পাউ কুবার্সিকে ফাউল করায় স্লোভেনিয়ার রেফারি স্লাভকো ভিঞ্চিকের কাছ থেকে দ্বিতীয় হলুদ কার্ড দেখে মাঠ ছাড়েন তিনি। এর মাশুল হিসেবে অতিরিক্ত সময়ের ১০৬ মিনিটে সাবস্টিটিউট ফেরান তোরেসের একমাত্র গোলে আর্জেন্টিনার প্রতিরোধ ভেঙে শিরোপা উঁচিয়ে ধরে স্পেন।
একজন খেলোয়াড় কম নিয়ে খেলার সুযোগে ম্যাচ হেরে যাওয়ার পর মারাত্মক সমালোচনার মুখে পড়েন এনজো। হারের একদিন পর নীরবতা ভেঙে জীবনের মানে শুধু জয় নয় উল্লেখ করে এনজো বলেন, ‘সময় যত গড়ায়, আপনি বুঝতে পারবেন একটি ফলাফলের চেয়েও বড় কিছু রয়েছে। বহু বছর ধরে এই দলটি সম্ভাব্য সেরা উপায়ে আমাদের দেশের প্রতিনিধিত্ব করে আসছে।’
চার বছর আগে আন্তর্জাতিক ফুটবলে অভিষেকের পর থেকে জাতীয় দলের জার্সিতে পথচলার স্মৃতি স্মরণ করে তিনি আরও বলেন, আর্জেন্টিনার জার্সি পরা মানে কখনও হাল না ছাড়া এবং লোগোর জন্য লড়াই করে যাওয়া। এটি শেখায় যে প্রতিযোগিতা করা মানে কেবল জয় নয়, বরং জার্সির জন্য নিজের সবটুকু উজাড় করে দেওয়া। এই দলের অংশ হতে পারা, যারা সবসময় শক্ত হয়ে দাঁড়িয়েছে, শেষ পর্যন্ত লড়েছে এবং গর্ব, নম্রতা ও প্রতিশ্রুতি রক্ষা করেছে, তা আমি সবসময় লালন করবো।
সমর্থকদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে তিনি বলেন, আর্জেন্টাইন সমর্থকদের ধন্যবাদ জানাতে চাই। আমাদের পাশে থাকা, প্রতি ম্যাচে সমর্থন দেওয়া এবং বিশ্বজুড়ে আমাদের নিজের ঘরের অনুভূতি এনে দেওয়ার জন্য ধন্যবাদ। দেশের জার্সি পরা আমার ক্যারিয়ারের সবচেয়ে বড় সম্মান এবং যখনই ডাক পাবো, নিজের সবটুকু দিয়ে তা রক্ষা করবো।
সূত্র: এনডিটিভি

ফুটবলের মহারণে আর্জেন্টিনার নামের পাশে কেন বারবার বিতর্ক?







