নতুন কুঁড়ি স্পোর্টসের সমাপনী দিনে ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা তুলে ধরেছেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মো. আমিনুল হক। তিনি জানান, ‘নতুন কুঁড়ি’ সাংস্কৃতিক আন্দোলনের আদলে বর্তমান সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর দূরদর্শী চিন্তাধারায় ক্রীড়া অঙ্গনেও নতুন ধারার সূচনা হয়েছে।
ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী বলেন, দেশের খেলোয়াড়দের পেশাদারিত্বের আওতায় আনতে ইতোমধ্যে ৩০০ জন ক্রীড়াবিদকে ক্রীড়া ভাতা ও স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে। আগামীতে এই পরিধি বাড়িয়ে ৫০০ জন ক্রীড়াবিদকে বেতন কাঠামোর আওতায় আনা হবে।
তিনি আরও জানান, ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস’-এর দ্বিতীয় আসরের অনলাইন নিবন্ধন আগামী আগস্ট পর্যন্ত চলবে। প্রতিযোগিতা শুরু হবে সেপ্টেম্বরের প্রথম সপ্তাহে। প্রথম আসরে আটটি ইভেন্ট থাকলেও দ্বিতীয় আসরে ভলিবল ও টেবিল টেনিস যুক্ত হওয়ায় মোট ১০টি ইভেন্টে প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হবে। পাশাপাশি তৃণমূল পর্যায়ের পরিধি আরও বিস্তৃত করে দেশের ৪ হাজার ৫৯৯টি ইউনিয়ন থেকে খেলোয়াড় বাছাই করা হবে।
জাতীয় পর্যায়ে পুরস্কৃত ৩১০ জন প্রতিভাবান খেলোয়াড়কে বিকেএসপিতে দুই মাসের বিশেষ প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে। সেখান থেকে সেরা প্রতিভাদের বাছাই করে তাদের খেলাধুলা ও পড়াশোনার সম্পূর্ণ দায়িত্ব সরকারি খরচে বহন করা হবে।
তরুণ প্রজন্মকে মাদক ও ডিভাইস আসক্তি থেকে দূরে রেখে সুস্থ জাতি গঠনে খেলাধুলার বিকল্প নেই উল্লেখ করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, দেশের ৬৪টি জেলায় পর্যায়ক্রমে ‘স্পোর্টস ভিলেজ’ গড়ে তোলা হবে। এর মধ্যে চলতি বছরই ১০টি স্পোর্টস ভিলেজ নির্মাণকাজ শুরু হবে। পাশাপাশি ঢাকার বাইরে বিভাগীয় শহরগুলোর বিকেএসপিগুলোকে আরও স্বয়ংসম্পূর্ণ করা হবে।
ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আরও জানান, তৃণমূল পর্যায়ে খেলাধুলা ছড়িয়ে দিতে ২০১ জন উপজেলা ক্রীড়া কর্মকর্তা নিয়োগের নির্দেশনা পাওয়া গেছে। এ ছাড়া আরও ২৯৪ জন কর্মকর্তা নিয়োগের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
তিনি বলেন, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীনে আগামী মাসেই ‘প্রাইম মিনিস্টার্স কাপ’ ফুটবল টুর্নামেন্ট শুরু হতে যাচ্ছে। একই সঙ্গে বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন খেলোয়াড়দের জন্য আন্তর্জাতিক মানের টুর্নামেন্ট আয়োজনের প্রস্তুতিও চলছে।