ইউরোপের লিগ মাতানো ফুটবলারদের নিয়ে হবে ফিফা আসিয়ান কাপ

ইউরোপের শীর্ষ লিগে খেলা একঝাঁক ফুটবলারকে দেখা যেতে পারে ফিফার নতুন টুর্নামেন্টে। আগামী ২৪ সেপ্টেম্বর শুরু হচ্ছে ফিফা আসিয়ান কাপ। ৫ অক্টোবর পর্যন্ত চলা এই টুর্নামেন্টে অংশ নেবে ১৪টি জাতীয় দল। দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার ১১টি দেশের সঙ্গে থাকছে তিন অতিথি দেশ। যার মধ্যে রয়েছে বাংলাদেশ। 

নতুন এই আঞ্চলিক প্রতিযোগিতাকে আন্তর্জাতিক সূচিতে অর্থবহ উদ্যোগ হিসেবে দেখছে ফিফা। টুর্নামেন্টটি দুই বিভাগে ভাগ করা হয়েছে। ইন্দোনেশিয়া আয়োজন করবে ডিভিশন-১, যেখানে ম্যাচ হবে বান্দুং ও জাকার্তায়। ডিভিশন-২-এর আয়োজক হংকং।

টুর্নামেন্টের উদ্বোধন নিয়ে ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনো বলেছেন, এর মাধ্যমে জাতীয় দলগুলো নিয়মিত ও প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ ম্যাচ খেলার সুযোগ পাবে। একই সঙ্গে আঞ্চলিক প্রতিদ্বন্দ্বিতা ও আন্তর্জাতিক ফুটবলের সম্পর্ক আরও শক্তিশালী হবে।

ইনফান্তিনো জানিয়েছেন, ‘ফিফা আসিয়ান কাপ আয়োজনের লক্ষ্য হলো পুরুষদের আন্তর্জাতিক ম্যাচ ক্যালেন্ডারের মধ্যে জাতীয় দলগুলোকে অর্থবহ প্রতিযোগিতামূলক ম্যাচের সুযোগ দেওয়া। খেলোয়াড়েরা নিজেদের দেশের হয়ে তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ আঞ্চলিক ম্যাচ খেলার সুযোগ পাবে এবং এতে ফুটবলের সম্পর্ক আরও শক্তিশালী হবে।’

নতুন এই টুর্নামেন্টে ইউরোপের বিভিন্ন শীর্ষ লিগে খেলা ফুটবলারদের অংশ নেওয়ার সম্ভাবনাও বাড়তি আকর্ষণ তৈরি করেছে। আয়োজক ইন্দোনেশিয়ার দলে থাকতে পারেন সাসুওলোর সিরি আ ডিফেন্ডার জায় ইদজেস, রায়ো ভায়েকানোর গোলরক্ষক এমিল আউদেরো, লিলের ডিফেন্ডার ক্যালভিন ভারডংক এবং বরুসিয়া মনশেনগ্লাডবাখের ডিফেন্ডার কেভিন ডিকস। আয়াক্সের গোলরক্ষক মার্টেন পেসও রয়েছেন সম্ভাব্য তালিকায়।

থাইল্যান্ডের নিকোলাস মিকেলসন খেলেন এসভি এলভার্সবার্গে। ফিলিপাইনের দলে থাকতে পারেন এসসি প্যাডারবর্নের উইঙ্গার রাফায়েল ওবারমায়ার।

অতিথি দেশ বাংলাদেশের জন্যও রয়েছে ইউরোপের শীর্ষ লিগে খেলার অভিজ্ঞতা। সাবেক লেস্টার সিটি মিডফিল্ডার হামজা চৌধুরীকে দেখা যাবে এই নতুন মঞ্চে। ২০২০-২১ মৌসুমে লেস্টার সিটির হয়ে এফএ কাপ জেতা হামজাই বাংলাদেশের অন্যতম বড় আকর্ষণ হতে পারেন।

১৪ দলের এই নতুন আয়োজন তাই শুধু দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার ফুটবলের জন্যই নয়, ইউরোপের বিভিন্ন লিগে খেলা তারকাদের অংশগ্রহণে আন্তর্জাতিক ফুটবলেও তৈরি করতে যাচ্ছে নতুন আগ্রহ।