খেলার তৃতীয় মিনিটে চট্টগ্রাম আবাহনীর হাইতিয়ান ফরোয়ার্ড লিওনেল পিওক্সের দুর্বল পাল্লার শট মোহামেডান গোলরক্ষক নেহাল কর্নারের বিনিময়ে রক্ষা করেন। বিশ মিনিটে এগিয়ে যায় ঐতিহ্যবাহী সাদা-কালো শিবির। মিডফিল্ডার মাশুক মিয়া জনির কর্নারে হেডে গোলটি করেন গিনিয়ান ফরোয়ার্ড ইসমাঈল বাঙ্গুরা।
৩১ মিনিটে দুই গোলের অগ্রগামিতা নেয় ঢাকা মোহামেডান। ফরোয়ার্ড আমিনুর রহমান সজীবের স্কয়ার পাসে শট নিয়েছিলেন ইসমাইল বাঙ্গুরা। ডিফেন্সে বাঁধাপ্রাপ্ত হয়ে বল ফেরত আসে। বলটি পেয়ে যান ফাঁকায় দাড়ানো মিডফিল্ডার বিপলু আহমেদ। বক্সের মাঝামাঝি থেকে ঠাণ্ডা মাথায় বল জালে জড়িয়ে দিতে ভুল করেননি তিনি।
৩৬ মিনিটে লিওনেল পিওক্সকে বক্সের মাঝামাঝি ফাউল করেন মোহামেডান মিডফিল্ডার মাসুদ রানা। পেনাল্টি পায় চট্টগ্রাম আবাহনী। অধিনায়ক জাহিদ হোসেন নেহালকে পরাস্ত করেন।
৫১ মিনিটে আবারও ইসমাইল বাঙ্গুরার গোল। বিপলু আহমেদের ক্রসে প্লেস করে দলকে তৃতীয় গোলের মুখ দেখান ইসমাইল বাঙ্গুরা।
৬৪ মিনিটে টুর্নামেন্টে এই পর্যন্ত সেরা একক নৈপুণ্যনির্ভর গোলটি করেন মাসুক মিয়া জনি। নিজ অর্ধ থেকে দৌড় শুরু করে চার জন খেলোয়াড়কে পরাস্ত করে আশরাফুল ইসলাম রানার পাশ দিয়ে মাটি ঘেঁষা শটে দলের জয় নিশ্চিত করেন তিনি। খেলা অতিরিক্ত সময়ে আবদুল মালেকের নিচু ক্রসে প্লেস করে মোহামেডানের হয়ে পঞ্চম গোলটি করেন ইউসুফ সিফাত।
/এমআর/