জাকার্তায় বাংলাদেশ কোচের দুঃখ

ইন্দোনেশিয়াতে ফিফা আসিয়ান কাপকে সামনে রেখে বাংলাদেশ দলের অনুশীলন চলছে। মঙ্গলবারই পুরো দল নিয়ে প্রথম অনুশীলন করতে পেরেছেন জার্মান-আমেরিকান কোচ থমাস ডুলি। এ নিয়ে কিছুটা আক্ষেপও আছে তার।

পূর্ণাঙ্গ দল পাওয়ার আনন্দের মধ্যেও সময়ের স্বল্পতা আক্ষেপ হিসেবে দেখছেন তিনি। বাংলাদেশ কোচ বলেছেন, ‘দুঃখের বিষয় হলো, পুরো স্কোয়াডকে সঙ্গে নিয়ে প্রথম ম্যাচের প্রস্তুতির জন্য আমরা মাত্র দুই-তিন দিন সময় পাচ্ছি। খেলোয়াড়দের একে অন্যের সঙ্গে বোঝাপড়া তৈরি করে নিতে হবে।’

বিশেষ করে নতুনদের সঙ্গে সমন্বয় তৈরি করতে হবে দ্রুত। ডুলি জানিয়েছেন, দলের কয়েকজন নতুন খেলোয়াড় আগে শমিত, হামজা কিংবা ফাহাদের সঙ্গে খেলেনি। অল্প সময়ের মধ্যে মাঠের বোঝাপড়া তৈরি করাটাই বড় চ্যালেঞ্জ।

নতুনদের নিয়ে অবশ্য আশাবাদী শমিত। হামজা, ফারহানদের সঙ্গে প্রথমবার অনুশীলনের অভিজ্ঞতা নিয়ে তিনি বলেছেন, ‘নতুন কয়েকজন খেলোয়াড় এসেছে। তাদের সঙ্গে দেখা করতে, প্রথমবারের মতো অনুশীলন করতে খুব ভালো লাগছে। আমি খুবই মুগ্ধ। সবাই আমাদের গ্রুপে কিছু না কিছু যোগ করতে পারে। সেখান থেকেই আমাদের স্কোয়াড আরও উন্নত হবে, প্রতিযোগিতা বাড়বে।’

দলের ভেতরের প্রতিযোগিতা বাড়াটা ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন শমিত। তবে সবার লক্ষ্য যে এক, সেটিও মনে করিয়ে দিয়েছেন তিনি, ‘আমাদের সবার একই লক্ষ্য— বাংলাদেশের জন্য ভালো করা, ম্যাচ জেতা এবং ভালো খেলা।’

জাকার্তায় প্রথম পূর্ণাঙ্গ অনুশীলন নিয়ে সন্তুষ্ট ডুলিও। মাঠ ও সুযোগ-সুবিধার প্রশংসা করে তিনি বলেছেন, ‘আমাদের খুব ভালো একটা সেশন হয়েছে। এখানকার মাঠ ও সুযোগ-সুবিধা চমৎকার। এই ধরনের টার্ফে খেলতে বেশ ভালো লাগে। সবার মধ্যে দারুণ শক্তি ও উৎসাহ রয়েছে।’

তবে শেখ মোরসালিন এখনও মূল দলের সঙ্গে যোগ দিতে পারেননি। কাফের চোটে তিনি আলাদাভাবে রিকভারি সেশন করেছেন।