চলতি বছর জুলাইয়ে অস্ট্রেলিয়ায় জন্ম নেওয়া মিসেল বেকার ইন্দোনেশিয়ার নাগরিকত্ব নেন। অভিষেকেই কম্বোডিয়ার বিপক্ষে হ্যাটট্রিক করে নিজের আগমনের বার্তা দেন তিনি। আর আজ ফিফা আসিয়ান কাপে বাংলাদেশের বিপক্ষে স্বভাবসুলভ পারফরম্যান্স দেখিয়ে বিরতির আগেই চার গোলের দেখা পেয়েছেন! ৬ ফুট ৫ ইঞ্চি উচ্চতার এই ফরোয়ার্ডের নৈপুণ্যে বাংলাদেশ ৬-১ গোলে পিছিয়ে থেকে ড্রেসিং রুমে গিয়েছে।
বৃহস্পতিবার জাকার্তার গেলোরা বুং কার্লো স্টেডিয়ামে শেখ মোরসালিনের জায়গায় শাহরিয়ার ইমন একাদশে নামেন। ম্যাচে স্বাগতিকদের প্রথম ১০ মিনিট আটকে রেখেছিল বাংলাদেশ। একটু খোলামেলা খেলার চেষ্টা করেছে। তবে পরের মিনিট থেকে ইন্দোনেশিয়ার জাদু দেখানো শুরু।
১১ মিনিটে থ্রো-ইন থেকে ইন্দোনেশিয়া এগিয়ে যায়। রোমিনির কাটব্যাক থেকে মিসেল বেকারের গড়ানো প্লেসিং শট দূরের পোস্ট দিয়ে জড়িয়ে দেন জালে। শ্রাবণ ডান দিকে ঝাঁপিয়ে পড়লেও অল্পের জন্য বলের নাগাল পাননি।
১৪ মিনিটে ইন্দোনেশিয়ার আরও একটি প্রচেষ্টা নস্যাত হয়। শ্রাবণ গোল হতে দেননি। ১৯ মিনিটে শাহরিয়ার ইমনের ক্রসে পা ছোঁয়াতে পারেননি কেউ।
প্রতি আক্রমণ থেকে স্বাগতিকররা উল্টো এগিয়ে যায়। মিসেল বেকার আবারও গোলদাতা। জটলা থেকে দীর্ঘদেহী এই ফরোয়ার্ড ব্যবধান দ্বিগুণ করেন।
৩২ মিনিটে স্বাগতিকরা ৩-০ স্কোরলাইন করে। ওরাটমাংগোয়েনের কাটব্যাক থেকে তারিক কাজীর ক্লিয়ারেন্স গিয়ে পরে রিদো রিজকির পায়ে, ডান পায়ের জোরালো শটে রিদো কাঁপিয়ে দেন জাল।
৩৬ মিনিটে বাংলাদেশ এক গোল শোধ দেয়। শুকির মাপা ক্রসে শাহরিয়ার ইমন দারুণ হেডে স্কোরলাইন ৪-১ করেন। পরের মিনিটেই বাংলাদেশ আবারও গোল হজম করে বসে। মিসেল বেকার পোস্টের সামনে থেকে প্লেসিং করেছেন অনায়াসে।
৪২ মিনিটে ভুল পাস থেকে মিসেল বেকার হেডে নিজের চতুর্থ ও দলের হয়ে পঞ্চম গোল করেন। যোগ করা সময়ে স্কোর ৬-১ করে ইন্দোনেশিয়া। হাবনার জাস্টিন ষষ্ঠ গোল উপহার দেন।
বাংলাদেশ একাদশ:
মেহেদী হাসান শ্রাবণ, সাদ উদ্দিন, তারিক কাজী, জিদান ইউসুফ, জায়ান আহমেদ, হামজা চৌধুরী, জামাল ভূঁইয়া, শমিত শোম, শুকি ইতোফুসা, শাহরিয়ার ইমন ও রাকিব হোসেন।