আর কখনও জাতীয় দলের হয়ে খেলবেন না লিওনেল মেসি। বিদায়ী ম্যাচের আগে জাতীয় সংগীতের সময় তাই আবেগাপ্লুত মহাতারকা। ৩৯ বছর বয়সী জাদুকরের চোখের কোণে ভাসলো জলও।
বিদায়ী ম্যাচের জন্য অনুশীলন কমপ্লেক্স থেকে মনুমেন্তাল স্টেডিয়ামে আসতে সময় লাগে এক ঘণ্টার বেশি। রাস্তায় নেমে আসেন ভক্তরা। সে সময়ও মেসির চোখে দেখা যায় জল।
মাঠে বিশেষ জার্সি পরে সতীর্থদের সঙ্গে ওয়ার্মআপ করেন মেসি। দর্শকদের অভিবাদনের জবাব দেন তিনি। গ্যালারিতে ছিলেন তার পরিবারের সদস্যরা।
২০২২ বিশ্বকাপ জয়ী দলের আনহেল ডি মারিয়া, হার্মান পেস্সেইয়া, হন্সালো মন্তিয়েল, মার্কুস আকুনা ও আনহেল কোররেয়া আছেন মাঠে। চোট নিয়েও এসেছেন থিয়াগো আলমাদা।
তবে আমন্ত্রণ পেলেও নানা কারণে আসতে পারেননি পাউলো দিবালা, নাউয়েল মলিনা, ফ্রাঙ্কো আরমানি ও হুয়ান ফয়থ।
বিশেষ এক বল দিয়ে হয়েছে বেনিনের বিপক্ষে মেসির বিদায়ী ম্যাচ। বলে দুটি লরেল পুষ্পস্তবকের মাঝে ১০ নম্বর লেখা হয়েছে এবং উপরে রাখা হয়েছে আর্জেন্টিনার পতাকা। ম্যাচের তারিখের সঙ্গে লেখা হয়েছে ‘এল আল্তিমো বেইলে’ বা ‘দা লাস্ট ড্যান্স।’
বিশেষ একটি জার্সি পরে খেলেছেন মেসি। দুটি নীল রঙয়ের স্ট্রাইপের মাঝে আছে একটি লম্বা সাদা স্ট্রাইপ। জাতীয় পতাকার সূর্য রাখা হয়েছে মাঝে। মেসির নাম ও নম্বর লেখা হয়েছে সোনালী রঙয়ে।
ম্যাচের আগে প্রদর্শন করা হয়েছে মেসির বিশাল এক জার্সি। যেমনটা দেখা গিয়েছিল রোজারিওতে। ৩০ মিটার দীর্ঘ ওই জার্সির ছবি ও ভিডিও দ্রুতই ছড়িয়ে পড়েছিল ভক্তদের মাঝে। এ নিয়ে ভক্তদের আক্ষেপও কম নয়।