এবার সার্চ কমিটির এক সদস্যের পক্ষে পাল্টা অবস্থান

ক্রীড়াঙ্গনে সংস্কারের জন্য সার্চ কমিটি কাজ করে যাচ্ছে, দিন কয়েক আগে যার এক সদস্য মেজর (অবঃ) ইমরোজ আহমেদের অপসারণের দাবিতে স্মারকলিপি দেওয়া হয়েছিল। আজ রবিবার তারই পক্ষে অবস্থান নিয়ে পাল্টা প্রতিবাদ জানিয়েছে হকির খেলোয়াড় ও সংগঠকদের আরেক অংশ। ক্রীড়া উপদেষ্টা বরাবর একটি চিঠিও দেওয়া হয়েছে। জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের সচিব উপস্থিত না থাকায় তা গ্রহণ করেন পরিচালক (ক্রীড়া) শামসুল আলম।

কয়েক দিন আগে পক্ষপাত এবং ইমরোজ আহমেদকে বিগত সরকারের সুবিধাভোগী হিসেবে আখ্যায়িত করে অপসারণ দাবি করেছিলেন কয়েকজন খেলোয়াড় ও সংগঠক। আজ সেই দাবির প্রতিবাদ জানিয়েছেন হকির অন্য সাবেক খেলোয়াড় ও সংগঠক এবং বর্তমান খেলোয়াড়রা। 

জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের নতুন ভবনের সামনে ‘মিথ্যা অপবাদ ও ষড়যন্ত্রের প্রতিবাদ’ নামক তিনটি ব্যানারে বর্তমান, সাবেক খেলোয়াড় ও সংগঠকরা প্রতিবাদে অংশ নেন। তারা মেজর ইমরোজের সততা ও দক্ষতার প্রতি আস্থা পোষণ করে যারা অপসারণের দাবি তুলেছেন তাদের ওপর উল্টো শাস্তিমূলক ব্যবস্থার দাবি তুলেছেন। 

বর্ষীয়ান হকি খেলোয়াড় ও কোচ হোসেন ইমাম চৌধুর শান্টা বলেছেন, ‘আমি তার সিনিয়র হলেও এক সঙ্গে খেলেছি। সে ভালো মানের খেলোয়াড় ছিল এবং তার সাংগঠনিক দক্ষতা বেশ ভালো। দেশে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক গেমস ও টুর্নামেন্টে তার সম্পৃক্ততার বিষয়টি সবারই জানা। তার প্রতি আমাদের সম্পূর্ণ আস্থা রয়েছে।’

সাবেক তারকা খেলোয়াড় রফিকুল ইসলাম কামাল ইমরোজের অপসারণ দাবিকারীদের শাস্তি চেয়েছেন। 

আরেক সাবেক খেলোয়াড় আবু জাফর তপন দুটি প্রশ্ন উত্থাপন করেছেন, ‘আজ এখানে কারা এসেছে আর সেদিন কয়জন এবং কারা ছিল। এই দুটি চিত্র দেখলেই বিষয়টি স্পষ্ট। পাশাপাশি সার্চ কমিটি গঠন হয়েছে এক মাস আগেই। এত দিন পর ইমরোজ ভাইকে নিয়ে প্রশ্ন কেন?’ 

বর্তমান খেলোয়াড়দের পক্ষে পুষ্কর ক্ষিসা মিমো বলেছেন, ‘দুই-তিন জন খেলোয়াড় ও সংগঠক সার্চ কমিটির কর্মকান্ডকে বিতর্কিত করার চেষ্টা করছে। এজন্য আমরা তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ করছি।’ 

মেজর ইমরোজের অপসারণ দাবির নেতৃত্ব দিয়েছিলেন জাতীয় দলের সাবেক অধিনায়ক রাসেল খান বাপ্পী। তিনি হকি খেলোয়াড় কল্যাণ সমিতির সভাপতি। সেই কমিটি পুনর্গঠনের দাবি জানিয়েছেন মিমো, ‘১৬-১৭ বছর ধরে তারা সমিতি দখল করে আছে। গঠনতন্ত্র অনুযায়ী সেটা অবৈধ। আমরা হকি খেলোয়াড় কল্যাণ সমিতি পুনর্গঠন চাই।’