জুনিয়র বিশ্বকাপে বাংলাদেশ দলের ৪৪ জনই বিকেএসপির! 

ভারতের চেন্নাইয়ে অনূর্ধ্ব-২১ জুনিয়র হকি বিশ্বকাপ শুরু হবে ১০ নভেম্বর। সেই লক্ষ্যে আজ থেকে মওলানা ভাসানী হকি স্টেডিয়ামে শুরু হয়েছে বাংলাদেশ দলের প্রস্তুতি। স্থানীয় দুই কোচ আশিকুজ্জামান ও মশিউর রহমান বিপ্লবের তত্বাবধানে টার্ফে ঘাম ঝরাবেন ৪৫ জন খেলোয়াড়। আগস্টের প্রথম সপ্তাহে ডাচ কোচ সেইগফ্রেড আইকম্যান ঢাকায় আসবেন। তবে দলের দায়িত্ব নেবেন ১ সেপ্টেম্বর। 

বিশ্বকাপে অংশ নিতে যাওয়া বাংলাদেশ দলের ৪৫ জনের মধ্যে ৪৪ জনই বিকেএসপির। শুধু নাজমুস সাবিদ এসেছেন ওস্তাদ ফজলু হকি একাডেমি থেকে। এই একাডেমি থেকে দ্বিতীয় বিভাগ হকিতে খেলেছেন সাবিদ। ইয়াংস্টার ক্লাবের হয়ে ১২ গোল করে সর্বোচ্চ গোলদাতা হয়েছিলেন। দলকেও চ্যাম্পিয়ন করিয়েছেন। 

নাজমুস সাবিদ।সাবিদ প্রাথমিক দলে ডাক পেয়ে সংবাদ মাধ্যমকে বলেছেন, ‘বাবা ও বড় ভাইয়ের পথ ধরে আমি হকিতে এসেছি। ওস্তাদ ফজলুর কাছেই হাতেখড়ি আমার। এরপর ধীরে ধীরে দ্বিতীয় বিভাগে খেলেছি। এবারই প্রথম জাতীয় বয়স ভিত্তিক দলে সুযোগ পেয়েছি। খুব ভালো লাগছে। আশা করি, দেশের জন্য সম্মান বয়ে আনতে পারবো।’ 

অনুশীলন থেকে শুরু করে চেন্নাইয়ে অনুষ্ঠিতব্য টুর্নামেন্টের জন্য প্রচুর অর্থের প্রয়োজন বলে জানান সাধারণ সম্পাদক রিয়াজুল হাসান। তার কথা, ‘পুরো টুর্নামেন্টের জন্য আমাদের সাড়ে চার থেকে পাঁচ কোটি টাকার প্রয়োজন। ক্রীড়া পরিষদে আমরা বাজেট দিয়েছি।’ 

বাংলাদেশ দলের অনুশীলন মওলানা ভাসানী স্টেডিয়ামই নয়, বিমান বাহিনী টার্ফ, বিকেএসপি ও দিনাজপুরের টার্ফে ঘুরে ফিরে হবে। 

এদিকে, জাতীয় সিনিয়র দলের সামনে এশিয়া কাপে খেলার হাতছানি। আগস্টের টুর্নামেন্টে একটি দলের নাম প্রত্যাহারের সম্ভাবনা রয়েছে। সেক্ষেত্রে বাংলাদেশ সুযোগ পাবে বলে এশিয়ান হকি ফেডারেশন থেকে ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে।