গত ১৫ জুলাই ছিল মেজবাহ ও শিরিনের জন্য ওয়াইল্ড কার্ড পাওয়ার শেষ সময়। কিন্তু সোমবার রাতে হঠাৎ করেই আন্তর্জাতিক অলিম্পিক কমিটি (আইওসি) ওয়াইল্ড কার্ড দেওয়ার সিদ্ধান্ত জানায়।
এ ব্যাপারে বাংলাদেশ অলিম্পিক অ্যাসোসিয়েশনের (বিওএ) মহাপরিচালক ফখরুদ্দিন হায়দার জানান, ‘ গতকাল রাতে তারা মেজবাহ ও শিরিনের ওয়াইল্ড কার্ড দেওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।’
জাতীয় অ্যাথলেটিক্সে মেজবাহ ও শিরিন টানা দ্বিতীয়বারের মতো ১০০ মিটার স্প্রিন্টে সেরা। গত আসরে ১২.২০ সেকেন্ড সময় নিয়ে সেরা হন শিরিন। আগের বার ১২.২৪ সেকেন্ড টাইমিং করে সোনা জিতেছিলেন তিনি। আর ছেলেদের ১০০ মিটারে সেরা হতে মেজবাহ সময় নেন ১০.৬০ সেকেন্ড। আগের সামার মিটে ১০.৪৩ সেকেন্ড টাইমিং করে সেরা হয়েছিলেন তিনি।
উল্লেখ্য, ১৯৮৪ সালে লস অ্যাঞ্জেলেস অলিম্পিকে স্প্রিন্টার সাইদুর রহমান ডন দেশের প্রথম প্রতিযোগী হিসেবে অলিম্পিকে অংশগ্রহণ করেন। এরপর কুইন অব দ্য গেমস খ্যাত অ্যাথলেটিক্সে গত ৩২ বছরে অন্তত একটি করে ওয়াইল্ড কার্ড পেয়ে এসেছে বাংলাদেশ। ২০১২ সালের লন্ডন গেমসে অ্যাথলেটিক্সে অংশ নিয়েছিলেন দেশের দ্রুততম মানব মোহন খান।
/আরএম/এফআইআর/