২০২১ সালের আগস্ট থেকে সংস্কার কাজ চলায় প্রায় তিন বছর পর আজ অ্যাথলেটিকস নিজেদের ডেরায় ফিরেছে। সাবেক-বর্তমান অ্যাথলেটদের পদচারণায় মুখরিত বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়াম। নতুন আবহে অবশ্য জাতীয় অ্যাথলেটিকসে পুরোনো রাজা-রাণীকেই পাওয়া গেছে।
এক বছর পর ১০০ মিটার স্প্রিন্টে ছেলেদের মধ্যে সেরা লন্ডনে জন্ম ও বেড়ে ওঠা সেই ইমরানুর রহমান। এছাড়া মেয়েদের মধ্যে শিরিন আক্তার শ্রেষ্ঠত্ব ধরে রেখেছেন।
ইলেক্ট্রোনিক্স টাইমিংয়ে ১০.৩৬ সেকেন্ড সময় নিয়ে লন্ডন প্রবাসী ইমরানুর দ্রুততম মানব এবং ১২.১১ সেকেন্ডে দ্রুততম মানবী হয়েছেন নৌবাহিনীর শিরিন। খেতাবের সংখ্যা হিসাব করলে এটি শিরিনের ১৫তম এবং ইমরানুরের চতুর্থ।
ঢাকায় সেরা হয়ে ইমরানুর পাখির চোখ করেছেন এ মাসে ইরানের রাজধানী তেহরানের এশিয়ান ইনডোর চ্যাম্পিয়নশিপে, ‘আমার এখন মূল লক্ষ্য তেহরানে স্বর্ণ অক্ষুণ্ণ রাখা। সে লক্ষ্যেই আমি অনুশীলন করছি। যার অংশ হিসাবে এই জাতীয় টুর্নামেন্টে অংশ নেওয়া।’
১৫ বার দ্রুততম মানবী হলেও শিরিনের চোখ প্যারিস অলিম্পিকে। তার ভাষ্য, ‘জাতীয় চ্যাম্পিয়নশিপে আমি দ্রুততম মানবী হয়েছি ঠিক, তবে আমার লক্ষ্য প্যারিস অলিম্পিকে খেলা। ওয়াইল্ড কার্ড পেলে অবশ্যই আমি প্যারিসের জন্য নিজেকে প্রস্তুত করবো।’
ঘরোয়া অ্যাথলেটিকসের নিরিখে টাইমিংয়ের উন্নতি করেছেন ইমরানুর ও শিরিন। ২০২২ সালের ডিসেম্বরে সবশেষ আসরে ইমরানুরের ১০.৪৯ ও শিরিনের টাইমিং ছিল ১২.২০ সেকেন্ড। তবে আন্তর্জাতিক আসরের তুলনায় অবশ্য সময় বেশি নিয়েছেন এই দুই অ্যাথলেট।
এ দ্রুততম মানব-মানবীকে পদক প্রদান করে গণমাধ্যমে কথা বলেছেন ফেডারেশনের সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব তোফাজ্জেল হোসেন মিয়া। মাত্র দুই দিনে জাতীয় অ্যাথলেটিকস আয়োজিত হচ্ছে, তাই অ্যাথলেটদের ওপর চাপ পড়ছে।
এনিয়ে প্রশ্ন তোলায় ফেডারেশনের সভাপতি ভবিষ্যতে সময় বাড়ানোর অনুধাবন করেছেন, ‘আসলেই এটা যৌক্তিক বিষয় উল্লেখ করেছেন। সামনে আরও বেশি দিন নিয়ে এই আয়োজন অনুষ্ঠিত হবে।’
এছাড়া বাছাইকৃত অ্যাথলেটদের ক্যাম্প ও প্রতিযোগিতার ধারাবাহিকতা বজায় রাখার আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন ফেডারেশনের সভাপতি। পাশাপাশি অ্যাথলেটিকস একাডেমি ও কমপ্লেক্স নিয়ে কাজ করার কথাও জানিয়েছেন।