ক্রীড়াঙ্গন সংস্কারে ইতোমধ্যে জেলা-বিভাগীয় ক্রীড়া সংস্থা ভাঙা হয়েছে। ক্রীড়া মন্ত্রণালয়-জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের এমন উদ্যোগের ধারাবাহিকতায় গতকাল মঙ্গলবার ৪২ ফেডারেশনের সভাপতিকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছিল। যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয় ওই নির্দেশনা দেয়। এবার আজ বুধবার জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ বিভিন্ন ফেডারেশন/অ্যাসোসিয়েশনের ১৬ কর্মকর্তাকে অপসারণ করেছে।
এই কর্মকর্তাদের মধ্যে কয়েকজন বিভিন্ন ফেডারেশন বা অ্যাসোসিয়েশনের নানা পদে ছিলেন। তাদের কাউকে মনোনীত করেছিল এনএসসি, কেউ নির্বাচিত হয়েছিলেন কাউন্সিলর হয়ে। তাদের সকলকেই অপসারণ করা হয়েছে।
শরীর গঠন ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক ছিলেন জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের সাবেক পরিচালক প্রশাসন শেখ হামিম হাসান। অ্যাডহক কমিটির সম্পাদককে অপসারণ করেছে এনএসসি। জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের প্রশিক্ষক কামরুল ইসলাম কিরণ, আর্চারি ফেডারেশনের সহকারী সাধারণ সম্পাদক, জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের চেয়ারম্যানের সাবেক পিএস রশিদুজ্জামান সেরনিয়াবাতও আর্চারি ফেডারেশনের সহকারী সাধারণ ছিলেন। আর্চারি ফেডারেশনের দুই সহকারী সম্পাদককে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।
এছাড়া বক্সিং ফেডারেশনের সহসভাপতি পদ থেকে সদ্য অবসরপ্রাপ্ত সৈয়দা তাসলিমা আক্তার, সদস্য থেকে মাঠ কর্মচারী মো. সেলিম, জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের সাইক্লিং কোচ শহিদুর রহমানকে সাইক্লিং ফেডারেশনের কোষাধ্যক্ষ পদ থেকে, ভারোত্তোলন কোচ ফারুক আহমেদ সরকারকে ভারোত্তোলন ফেডারেশনের কোষাধ্যক্ষ পদ থেকে অপসারণ করা হয়েছে। মহিলা ক্রীড়া সংস্থা, বাংলাদেশ অলিম্পিক অ্যাসোসিয়েশন, উশুসহ আরও কয়েকটি সংস্থা থেকে জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের কর্মকর্তাদের অপসারণ করা হয়েছে।