দেশের সেরা ব্যাডমিন্টন আম্পায়ার ইসমাইল নজীব রাসেলের নিথর দেহ আনা হলো শহীদ তাজউদ্দিন আহমেদের ইনডোর স্টেডিয়ামে। তাকে শেষ শ্রদ্ধা জানাতে এসেছিলেন ক্রীড়াঙ্গনের অনেকেই। যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়ার পক্ষে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান ক্রীড়া মন্ত্রণালয় ও জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের সচিব। শেষ বিদায়ে শ্রদ্ধা জানান ব্যাডমিন্টন, ভলিবল ফেডারেশনসহ অনেক সংস্থা, ব্যক্তি।
রাসেলের সঙ্গে দীর্ঘদিনের জানাশোনা বাংলাদেশ ভলিবল ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক আশিকুর রহমান মিকুর। ক্রীড়াঙ্গনের সিনিয়র এই সংগঠকের বক্তব্য, ‘শুধু ব্যাডমিন্টন নয়, বাংলাদেশের ক্রীড়াঙ্গন একজন বড় সম্পদ হারালো।’ বাংলাদেশের ক্রীড়াবিদ কামরুন নাহার ডানা এখন ফেডারেশনের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি। রাসেলের অভাব কোনোদিন পূরণ হবে না বললেন তিনি, ‘তিন দিন পরই আন্তর্জাতিক ব্যাডমিন্টন হবে ঢাকায়। টুর্নামেন্ট হয়ে যাবে কিন্তু রাসেলের অভাব পূরণ হবে না। তাকে দেখেই অন্যরা ব্যাডমিন্টনে আম্পায়ারিং শিখছিল।’
নব্বইয়ের দশকের শুরুতে খেলতে এসে ব্যাডমিন্টন কোর্টে খেলোয়াড় হিসেবে থিতু হতে পারেননি। পরে আম্পায়ারিংয়ে নাম লেখান। দুই যুগের বেশি আম্পায়ারিংয়ে দেশের গণ্ডি পেরিয়ে বিশ্ব ব্যাডমিন্টনের প্যানেল আম্পায়ার ছিলেন রাসেল। জাতীয় ব্যাডমিন্টনের সাবেক চ্যাম্পিয়ন এনায়েত উল্লাহ বলেন, ‘বাংলাদেশের মধ্যে ব্যাডমিন্টনে টেকনিক্যালি সবচেয়ে বড় মাপের ছিলেন।’
ভারতের গৌহাটিতে ব্যাডমিন্টন টুর্নামেন্ট পরিচালনা করতে গিয়েছিলেন রাসেল। ৭ ডিসেম্বর গৌহাটি হোটেলেই মৃত্যুবরণ করেন। নানা আনুষ্ঠানিকতা শেষে গতকাল সন্ধ্যায় ভারত থেকে রাসেলের মরদেহ সিলেট সীমান্তে আনা হয়। আজ মঙ্গলবার সকালে ঢাকায় দুটি জানাজা ও ব্যাডমিন্টনে শ্রদ্ধা শেষে দুপুরে আজিমপুরে দাফন করা হয় তাকে।