খেলোয়াড়দের জন‍্য হবে বেতন কাঠামো, আসছে ১৮০ দিনের কর্মসূচিতে আরও কিছু

সাবেক তারকা ফুটবলার আমিনুল হক বুধবার ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ে প্রথম দিন অতিবাহিত করেছেন। ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী হয়ে সংশ্লিষ্ট সবার সঙ্গে মতবিনিময় করেছেন তিনি। সেখানে খেলাধুলা নিয়ে নতুন সরকারের ভিশনটা পরিষ্কারভাবে তুলে ধরেছেন। সরকার থেকে শুরুতে ১৮০ দিনের একটি কর্মসূচি নেওয়া হয়েছে। ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ও রয়েছে এর মধ্যে। এই কর্মসূচির অধীনে আমিনুল হক চাইছেন দেশের সব খেলার জাতীয় দলের খেলোয়াড়দের মাসিক বেতনের আওতায় আনতে।

আজ ক্রীড়া মন্ত্রণালয় থেকে বের হয়ে নতুন ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী বাংলা ট্রিবিউনকে নিজেদের ভিশন নিয়ে বলেছেন, ‘সরকার থেকে ১৮০ দিনের একটি কর্মসূচি নেওয়া হয়েছে। এই সময়ে আমাদের কাজ কী হবে তা বলা হয়েছে। ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে আমি এই সময়ের মধ্যে জাতীয় দলের খেলোয়াড়দের বেতনের আওতায় আনতে চাই। সরকার থেকে সব অঙ্গনের খেলোয়াড়দের জন্য এই সুযোগ রাখা হয়েছে। শুধু যেসব খেলোয়াড় খেলার মধ্যে আছেন তারাই বেতন পাবেন। দেশকে প্রতিনিধিত্ব করছেন, তাদেরই অগ্রাধিকারে রাখা হবে। এ নিয়ে আজ সংশ্লিষ্টদের দিকনির্দেশনা দিয়েছি। কমিটিও হচ্ছে। আশা করছি ১৮০ দিনের মধ্যে খেলোয়াড়রা সুসংবাদ পাবেন।’

বাংলাদেশে একমাত্র ক্রিকেটাররাই নিজেদের বোর্ড থেকে বেতন পেয়ে থাকেন। অন্য অঙ্গনের খেলোয়াড়রা তা পান না। তবে আমিনুল বলেছেন, ‘সরকারের কাছে সবাই সমান। সব জাতীয় দলও। সরকার ঠিক করেছে শুধু ক্রিকেট নয়, সব জাতীয় দলের খেলোয়াড়দের বেতন পদ্ধতিতে আনতে। সেখানে ক্রিকেটও থাকবে। বোর্ড বা ফেডারেশন যদি আগে থেকে নিজেদের খেলোয়াড়দের দিয়ে থাকে তাহলে ভালো। এখন সরকারের কাছ থেকে খেলোয়াড়েরা নতুন করে বেতন পাবে। আমরা চাই দেশের ক্রীড়াঙ্গন এগিয়ে যাক। সরকার থেকে খেলোয়াড়রা বেতন পেলে তারা আরও উৎসাহিত হবেন।’

এছাড়া কর্মসূচিতে খেলাগুলোকে আরও গতিশীল করার জন্য পদক্ষেপও নেওয়া হয়েছে। আমিনুল বলেন, ‘পাশাপাশি অন্য কার্যক্রমও চলবে। ফেডারেশনগুলো সচল করা হবে। মাঠে যেন সব খেলা থাকে সেদিকে দৃষ্টি দেওয়া হচ্ছে।’

এছাড়া যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে আমিনুল হক মন্ত্রণালয়ের কার্যক্রম সম্পর্কে অবহিতকরণ সভায় ক্রীড়াবান্ধব দেশ গড়তে কর্মকর্তাদের বিভিন্ন দিকনির্দেশনা প্রদান করেছেন।